Showing posts with label Health. Show all posts
হাসি দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করেঃ
 নেতিবাচক মনোভাব এবং মানসিক চাপের কারণে দেহে একধরণের কেমিক্যাল রিঅ্যাকশন ঘটায় যা আমাদের দেহের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে তোলে এবং আমরা অসুস্থবোধ করি। কিন্তু প্রাণখোলা হাসি আমাদের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করে তোলে। এতে করে আমাদের দেহ রোগ প্রতিরোধ করতে পারে এবং আমরা সুস্থ থাকি। হাসলে

দেহের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়ঃ
 আমরা যখন প্রাণখোলা হাসি হেসে থাকি তখন আমাদের দেহে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। এতে দেহের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গে এবং মস্তিষ্কে ভালো ভাবে রক্ত সঞ্চালন হয় যা প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। হাসলে

ক্যালোরি ক্ষয় হয়ঃ 
 আমরা দেহের ক্যালোরি ক্ষয়ের জন্য কতো কিছুই না করে থাকি। কিন্তু আমরা জানিও না সারাদিনের প্রাণখোলা হাসি আমাদের ক্যালোরি ক্ষয় করতে কতোটা সহায়ক। মাত্র ১৫ মিনিটের প্রাণ খোলা হাসি আমাদের ২০-৪০ ক্যালোরি পর্যন্ত ক্ষয় করে।

 মানসিক চাপ মুক্ত করে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায় হাসিঃ 
 মানসিক চাপ আমাদের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাসও কমিয়ে দেয়। কিন্তু হাসলে ‘এনডোরফিন’ নামক হরমোনের নিঃসরণ হয়, যা আপনার মস্তিষ্কে জাগায় ভাল লাগার অনুভূতি। এতে মানসিক চাপ দূর হয় এবং আমাদের হারানো আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসে। সুতরাং প্রাণখুলে হাসুন।
দীর্ঘদিন ঘুমের ওষুধ সেবনের ফলে আমাদের শরীরে নানা ধরণের সমস্যা তৈরি হয়। যেমন :



  • ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়
  • ফুসফুসের ক্রিয়া দুর্বল হয়ে যায় 
  • শ্বাস নিতে কষ্ট হয়
  • মানুষের বুদ্ধিমত্তা লোপ পেতে থাকে
  • মাথা ঘোরা, মাথা ব্যাথা, শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে যাওয়া
  • পেটে ব্যাথা, হজমের সমস্যাসহ খাদ্যে অরুচি দেখা দেয়
  • এছাড়াও হাত পা এবং বুক জ্বালা করে।
শীত পেরিয়ে এখন গরম পড়তে শুরু করেছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সময়ে দেখা দেয় নানা অসুখ-বিসুখ। এ সময়ে ছড়ায় এমনি একটি মারাত্মক রোগের নাম টাইফয়েড। টাইফয়েড রোগ পানিবাহিত। সালমনেলা টাইফি ও প্যারাটাইফি জীবাণু থেকে টাইফয়েড রোগ হয়ে থাকে।
টাইফয়েডের লক্ষণ
প্রচণ্ড মাথাব্যথা, গলাব্যথা, পেটব্যথা, শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া, জ্বরে শরীরের তাপমাত্রা ১০৩-১০৪ ফারেনহাইট, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, চামড়ায় লালচে দানা দেখা দেওয়া টাইফয়েডের প্রাথমিক লক্ষণ। অনেক ক্ষেত্রেই এই জ্বর প্রথম সপ্তাহে ধরা পড়ে না। দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে জ্বর ধরা পড়ে এবং মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। ওষুধ চলা অবস্থায়ও সপ্তাহ খানেক জ্বর থাকতে পারে।
টাইফয়েডের কারণ
টাইফয়েডের অন্যতম কারণ হলো দূষিত খাবার গ্রহণ। এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে এবং পানির মাধ্যমেও এই রোগের জীবাণু ছড়ায়। এ রোগের জটিলতাও নেহাত কম নয়। রক্তক্ষরণ, অগ্নাশয়ে প্রদাহ, মেরুদণ্ডে সংক্রমণ এমনকি কিডনিতেও বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে টাইফয়েড থেকে।
কী করবেন
টাইফয়েড হলে কী করতে হবে সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজের চিকিত্সক ড. দীনা শারমিন—
রক্ত পরীক্ষা
টাইফয়েড পানিবাহিত জীবাণুর মাধ্যমে ছড়ায়। তাই টাইফয়েড হয়েছে কি না, তা বুঝতে সবার আগে অসুস্থ ব্যক্তির রক্ত পরীক্ষা করতে হবে।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা
সব সময় পরিষ্কার পোশাক পরতে হবে। নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। অবশ্যই হাত ভালোভাবে ধুতে হবে। ঘরের জিনিসপত্র নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহূত জিনিসপত্র আলাদা করে রাখতে হবে।
পানি, খাবারে সতর্কতা
পানি ফুটিয়ে পান করতে হবে। খাবার গরম করে খেতে হবে। বাইরের খাবার খেলে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। অপরিষ্কার শাক-সবজি ও কাঁচা-ফলমূল খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
বাসস্থান ও টয়লেটের সুব্যবস্থা
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার করতে হবে। লক্ষ রাখতে হবে কোনোভাবেই যেন টয়লেটে ময়লা বা পানি জমে না থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তির টয়লেট নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে খোলামেলা ও পরিষ্কার বাসায় রাখতে হবে।
টাইফয়েড হয়েছে কি না, তা যেমন রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে, তেমনি ওষুধ খাওয়ার জন্যও অবশ্যই রোগীকে একজন চিকিত্সকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
- প্রথম আলো
ধূমপান ত্যাগের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো নিজের ইচ্ছাশক্তি। ধূমপান ছাড়ার জন্য নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আপনি যতটা দৃঢ় থাকবেন, ততই সাফল্যের সম্ভাবনা বাড়বে। ধূমপান আপনার নিজের এবং কাছের মানুষটির বা আপনার শিশুসন্তানটির জন্য পরোক্ষভাবে কী ক্ষতি ডেকে আনছে তা জানুন। প্রয়োজনে কুফলগুলো নিজ হাতে কাগজে লিখে ফেলুন, কাগজটি সঙ্গে রাখুন এবং যখন ধূমপানের ইচ্ছা জাগবে, তখন কাগজটি বের করে পড়ুন।
—ধূমপান ত্যাগের জন্য নির্দিষ্ট একটি দিন ঠিক করুন। তার আগের দিন বাসায় থাকা সিগারেট, অ্যাসট্রে ও লাইটার ফেলে দিন।
—পরিবারের সদস্য, নিকটাত্মীয়, বন্ধুবান্ধব ও সহকর্মীদের সহযোগিতা নিন। তাঁদের জানিয়ে রাখুন ধূমপান ত্যাগের তারিখটি। তাঁরা যেন আপনাকে ধূমপানের আহ্বান না জানান। কিংবা আপনার আশপাশে ধূমপান না করে।
—ধূমপান ত্যাগের প্রাথমিক পর্যায়ে কিছুটা শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তি বোধ হতে পারে। কারণ, দীর্ঘদিন ধূমপানের ফলে এর প্রতি শারীরিক ও মানসিক নির্ভরতা গড়ে ওঠে। তবে ধীরে ধীরে এ সমস্যাগুলো কেটে যায়। মুখে ‘কী যেন নেই’ ধরনের অস্বস্তি কাটাতে চিনিমুক্ত চুইংগাম, মিন্ট বা ক্যান্ডি ব্যবহার করতে পারেন। হাত বা আঙুলের অস্বস্তি কাটাতে মাঝেমধ্যে দুই আঙুলের ফাঁকে পেনসিল বা পেপার ক্লিপ, হাতে ছোট আকারের বল ব্যবহার করতে পারেন। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। শাকসবজি ও ফলমূল বেশি খান।
—মনকে ব্যস্ত রাখুন। ম্যাগাজিন-গল্পের বই পড়ুন, পছন্দের গান শুনুন, সুস্থ বিনোদনে অংশ নিন। প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন।
—ধূমপায়ীদের সঙ্গ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।
—একবারে পুরোপুরি ধূমপান ছাড়তে না পারলে ধীরে ধীরে প্রতিদিন একটি বা দুটি বা সপ্তাহে নির্দিষ্ট পরিমাণ করে সিগারেট সেবন কমিয়েও সম্পূর্ণ ত্যাগের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেন।


- See more at: http://www.ebanglahealth.com/4561#sthash.n6kSk2Yp.dpuf
জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিশ্বে প্রথমবারের মত প্লুরিপোটেন্ট স্টেম সেল বা আইপিএস কোষের পরীক্ষামূলক ব্যবহার অনুমোদন করেছে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে রিকেন কোবে ইনস্টিটিউট আইপিএস কোষ পরীক্ষামূলকভাবে মানবদেহে ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে।
আইপিএস কোষ শরীরের যে কোনো টিস্যু বা অঙ্গের কোষে পরিণত হতে পারে।
গবেষক দলটির উদ্দেশ্য হচ্ছে- চোখের টিস্যুতে আইপিএস কোষ প্রস্তুত করা। বয়সজনিত চোখের রোগ ‘ম্যাকিউলার ডিজেনারেশন’ থেকে গুরুতরভাবে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার চিকিৎসা করতে আইপিএস কোষ সমৃদ্ধ টিস্যু ব্যবহার করা হবে।
সরকারের অনুমোদনকারী প্যানেলটি বুধবার রুদ্ধদ্বার কক্ষে তৃতীয় দফা আবেদনপত্রটি বিবেচনা করেন। তারা নৈতিক এবং প্রযুক্তিগত বিভিন্ন দিক তাদের বিবেচনায় আনেন।
সব ঠিকঠাক মত থাকলে আগামী গ্রীষ্মেই আইপিএস কোষের পরীক্ষামূলক ব্যবহারের জন্যে রোগী নির্বাচন করা শুরু হতে পারে।

সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম 
বিশ্বব্যাপী এনার্জি ড্রিংকের যথেচ্ছা ব্যবহার এবং প্রচার নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে গবেষকরা জানিয়েছেন এ ধরনের পানীয়ের কারণে হৃদযন্ত্রে এবং রক্তের চাপে নেতিবাক প্রভাব পড়তে পারে। এক থেকে তিনটি এনার্জি ড্রিঙ্ক পানের পর এর প্রভাব নিয়ে পরিচালিত ৭টি সমীক্ষা থেকে প্রাপ্ত উপাত্ত থেকে গবেষকরা এ তথ্য জানিয়েছেন। গবেষকরা বলছেন, বিভিন্ন ধরনের এনার্জি ড্রিঙ্ক পানের ফলে রক্তচাপ সামান্য বৃদ্ধি পায় এবং হৃদস্পন্দনের স্থায়িত্বও দীর্ঘায়িত হয়। ক্যালিফোর্নিয়ার এক বিষেশজ্ঞ বলেছেন, এসব ব্যাপারে ব্যক্তি বিশেষকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, যারা বেশি পরিমাণে এ ধরনের পানীয় পান করেন তাদের ক্ষেত্রে এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে।
ঘণ্টায় চার মাইল বেগে দ্রুত হেঁটে আপনি ৩৩৪ ক্যালরি পোড়াতে পারবেন। ঘণ্টায় তিন মাইল বেগে মৃদু হেঁটে পোড়াতে পারবেন ২২১ ক্যালরি।
অর্থাৎ দুই হাজার কদম হেঁটেও আপনি পোড়াতে পারবেন ১১৪ ক্যালরি।
এভাবে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিনিট হেঁটে আপনি বছরে অন্তত সাত থেকে ১০ পাউন্ড মেদ ঝরিয়ে ফেলতে পারবেন।
আয়ু বৃদ্ধি
এক মিনিট বাড়তি হাঁটা আপনার আয়ু দেড় থেকে দুই মিনিট বাড়িয়ে দিতে পারে। তাহলে দৈনিক ১৫ মিনিট বেশি হাঁটলেই আপনার গড় আয়ু তিন বছর বেড়ে যাচ্ছে! খাদ্য নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সপ্তাহে পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে হাঁটলে আপনার ডায়াবেটিস ও হূদেরাগ হওয়ার ঝুঁকি কমে যাচ্ছে ৫০ শতাংশ, উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি কমছে ১৯ শতাংশ।
নারীস্বাস্থ্য
কোনো নারী যদি দৈনিক ১৫০০ ক্যালরি খাবার গ্রহণ করেন ও প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে হাঁটেন, তবে ২৫ পাউন্ড ওজন ঝরাতে পারবেন। স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত নারীরা সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা করে হাঁটলে মৃত্যুঝুঁকি ৫০ শতাংশ কমে যায়। যেসব নারী সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটেন, তাঁদের অন্ত্রের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি ৩১ শতাংশ কমে যায়।
- প্রথম আলো
ক্যানসার রোগের চিকিৎসায় চিকিৎসকের পরিবর্তে কম্পিউটারের ব্যবহার হয়তো শিগগিরই শুরু হবে। বিজ্ঞানীরা গাণিতিক সূত্রনির্ভর একটি সফটওয়্যার উদ্ভাবন করেছেন। এটি ক্যানসারে চিকিৎসায় (রেডিওথেরাপি বা কেমোথেরাপি) রোগীর সম্ভাব্য সাড়া সম্পর্কে ব্যক্তি চিকিৎসকের চেয়ে ভালো পরামর্শ দিতে পারবে বলে দাবি করা হচ্ছে। জিনগত নকশাসহ রোগীর সম্পর্কে যত বেশি তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হবে, এ সফটওয়্যার সম্ভাব্য চিকিৎসায় সাফল্য সম্পর্কে তত কার্যকর পরামর্শ দিতে পারবে। নেদারল্যান্ডসের মাসট্রিখ্ট ইউনিভার্সিটি মেডিকেল হসপিটালের গবেষক কাখি ওবেখেই ও তাঁর সহযোগীরা ওই সফটওয়্যার তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছেন। তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রয়োগ করে ক্যানসার রোগীকে যন্ত্রণা দেওয়াটা অনৈতিক। তাই রোগীর জন্য নির্দিষ্ট সফটওয়্যারটি এমনভাবে তৈরি করা হবে, যাতে সেটি চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে পরামর্শ দিতে পারবে
- প্রথম আলো
স্বাস্থ্য কথাঃ- ঘুমে হাঁটার একটি সুন্দর নাম দিয়েছেন মনরোগ বিশেষজ্ঞরা তা হল সমনাবুলিজম(Somnambulism) বা ঘুমিয়ে হাঁটা, ইংলিশে স্লিপ ওয়াকিং। আমরা অনেকেই এই শব্দটির সাথে পরিচিত, হয়তো হরহামেশাই ব্যবহার করে ফেলছি শব্দটি কিন্তু জানা হচ্ছে না স্লিপ ওয়াকিং এর মূল বিষয় সম্পর্কে।

যদিও মনোবিদ্যায় স্লিপ ওয়াকিং এর একটি গাল ভরা নাম সমনাবুলিজম(Somnambulism) দেয়া হয়েছে, তবে আমরা একে স্লিপ ওয়াকিং বলেই আলোচনা করবো আজ। সাধারনত ছোটদের মাঝে দেখা গেলেও বড়রাও আক্রান্ত হয় এটা দ্বারা।
ঘুমের মাঝে হাঁটা যেহেতু তাই আগে ঘুম নিয়ে কিছু কথা বলা যাক। আমাদের ঘুমের প্রধান দুটি ধাপ রয়েছে। র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট(REM) এবং নন র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট

ঘুমের প্রথমে আসে নন রেম ঘুম। এটা ৪টি পর্যায়ে বিভক্ত। দ্বিতীয় পর্যায়ে আসে রেম ঘুম যার দুটি উপ-পর্যায় রয়েছে।
রেম ঘুমে চোখের পেশীর সংকোচন বাড়ে, চোখ নাড়াচাড়া করতে থাকে এসময়, নন রেম ঘুমে চোখের পেশীর নাড়াচাড়া কমে আসে। মানুষ স্বপ্ন দেখে রেম ঘুমের সময়, যখন দেখবেন কারো ঘুমের মাঝে তার চোখ নড়ছে, চোখের পাতা কাঁপছে বুঝে নেবেন সে স্বপ্ন দেখছে ওই সময়ে।
আমাদের আলোচ্য স্লিপ ওয়াকিং ঘটে ঘুমের নন রেম পর্যায়ের ৩য় ও ৪র্থ ধাপে।
যারা স্লিপ ওয়াকিং করে থাকেন তারা আর সকলের মতোই ঘুমোতে যান বিছানায়, ঘুমিয়ে পড়েন ঠিক মতোই। কয়েক ঘন্টার মাঝেই শুরু হয় আসল খেলা!! তারা কথা বলা শুরু করেন আপন মনে, হয়তো কাঁদেন বা চিৎকার করেন, উঠে পড়েন ঘুম থেকে। চোখ খুলে তাকান, কিন্তু চেহারা থাকে ভাবলেশহীন, অভিব্যক্তিহীন। কারণ তারা তো আসলে জেগে নেই, চোখ খুলেছেন ঠিকই কিন্তু তার মস্তিস্ক রয়ে গেছে ঘুমের রাজ্যে। তিনি কি করছে, কি বলছেন, কোথায় যাচ্ছেন সব করছেন নিজের অজান্তে।

হয়তো ঘরের মাঝে হাঁটছে সে, দরজা খুলে যাইরে চলে যাচ্ছে, যেখানে সেখানে ঘুমিয়ে পড়ছে নিজের অগোচরে, কাপড় পরছে বা খুলছে, প্রাত্যহিক অন্যান্য কাজ ও করছে; সবই সেই নন রেম ঘুমের মাঝেই। এমন সময় তাদেরকে সজাগ করতে গেলে হয়তো অনেকে প্রচণ্ড বিক্ষিপ্ত আচরন করেন, চিৎকার করেন, ধাতস্থ হতে সময় লাগে তাদের। সকলের মাঝে একটা বিষয়ে মিল থাকে যে তারা ঘুম ভেঙ্গে আর মনে করতে পারেন না ঘুমের মাঝে কি কি করেছেন বা বলেছেন।

কেন হয় এমন আজব ব্যাপার? ঘুমের মাঝে হাটা? আমাদের তো হচ্ছে না, তবে কিছু মানুষের কেন হবে?

এ ব্যাপারে কিছু কারণের কথা বলা হয়েছেঃ
>> খুব ক্লান্ত দেহে বিছানায় গেলে, সারাদিন অধিক খাটখাটুনি হলে,
>> উত্তেজনা, ভয়, মানসিক অস্থিরতা থাকলে,
>> প্রতিদিনের ঘুম যদি হয় অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত,
>> স্লিপ এপনিয়া বা ঘুমের মাঝে বিশেষ ধরনের শ্বাস বদ্ধতা থাকলে।
>> কিছু ঔষধের কারণেও ঘটতে পারে এমন ব্যাপার।

আবার পরিবারে কারো থেকে থাকলে অর্থাৎ বাবা বা মার থেকে থাকলে সন্তানদেরও স্লিপ ওয়াকিং করার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
চোখের সামনে কাউকে স্লিপ ওয়াকিং করতে দেখলে অথবা পরিচিত কারো এমন সমস্যা হলে তার থেকে নিষ্ক্রান্ত হওয়ার উপায় জানতে চায় না মন? ধরুন বাড়িতেই কারো ধরা পড়লো এমন ব্যাপার, তাহলে? জেনে রাখা ভালোঃ প্রথমেই হতে হবে সতর্ক, একা থাকতে দেয়া ঠিক হবে না এদেরকে। অনেকে দরজা খুলে বাইরে চলে যায়, রেলিং টপকে পরে যায় নীচে অথবা রাস্তায় নেমে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। এদের জন্য ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করার সাথে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন যেন বাইরে যেতে না পারে।
হাঁটতে দেখলে তাদেরকে বিছানায় নিয়ে যান, আবার শুইয়ে দিন মমতা মিশিয়ে। প্রয়োজনে ডেকে দিতে পারেন, ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিতে পারেন, এতে বারণ নেই ডাক্তারের।
অনেকের প্রয়োজন হতে পারে কিছু ওষুধের তার ঘুমকে নিয়ন্ত্রনের জন্য, কিছু ওষুধ খেলে স্লিপ ওয়াকিং হতে পারে, এসব ড্রাগ ব্যবহার বন্ধ করে দেখা যায়।
স্লিপ এপনিয়া একটা শ্বাসবদ্ধতার সমস্যা যা ঘুমের মাঝে হয়। স্লিপ এপনিয়ার চিকিৎসা করলে অনেকের স্লিপ ওয়াকিং সমস্যার সমাধান হয় বলে গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে।
জীবনযাপনের কিছু পরিবর্তন এ ব্যাপারে কাজে আসতে পারে বলে জানা যায়।

ঘরে রাখা যাবে না কোন ধরনের ধারালো বস্তু, ছুরি, কাঁচি ইত্যাদি। অনেক বাসায় বাচ্চারা বাঙ্ক বিছানায় ঘুমায়, এসব ক্ষেত্রে বাঙ্কে দেয়া যাবে না, শুতে হবে সাধারণ খাটে। বাঙ্কে দিলে উপরে থেকে পড়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বিছানায় যেতে হবে বেশ আগেই। ঘুম কম হলে অনেকের এমন সমস্যা হতে পারে, তাই শান্তির ঘুমের ব্যবস্থা রাখতে হবে। ঘুমের জন্য রাখতে হবে পর্যাপ্ত সময়। প্রতিদিন একই সময়ে বিছানায় যাবার অভ্যাস করতে হবে। বাচ্চাদের বাবা মায়েরা একটা ডাইরি করতে পারেন, প্রতিদিন বাচ্চা কখন ঘুমোতে যাচ্ছে এবং কখন তার সমস্যার শুরু হচ্ছে সেটা লিপিবদ্ধ শুরু করুন। কিছু দিন গেলে দেখা যাবে একটা প্যাটার্ন মানছে আপনার বাচ্চা। সেই প্যাটার্ন অনুযায়ী স্লিপ ওয়াকিং শুরু হওয়ার ১০-১৫ আগে তাকে উঠিয়ে দিন, ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিন। ৫ মিনিট জাগিয়ে রেখে আবার ঘুম পড়িয়ে দিন। এভাবে অভ্যাস পরিবর্তনের ফলে কাজ হতে পারে।

এত কিছু লেখা দেখে মোটেও ভয় পাওয়ার কিছু নেই। স্লিপ ওয়াকিং খুব কম মানুষেরই হয় এবং এটা মোটেও মারাত্নক কিছু নয়। শুধুমাত্র সচেতনতা এবং যত্নবান হলেই আক্রান্ত ব্যক্তিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। একসময় নিজে থেকেই ভালো হয়ে যাবে আমাদের শবনম, হৃদির মতো আরো অনেক স্লিপ ওয়াকার। তারাও উপভোগ করবে শান্তির ঘুম, মধুর ঘুম। নিদ্রাদেবীর আশীর্বাদে তাদের কপালেও চাঁদ মামা দিয়ে যাবে টিপ।
এবার ‘গবেষণাগারে তৈরি’ করা হলো কিডনি। সেই কৃত্রিম কিডনি প্রাণীদেহে প্রতিস্থাপন করার পর সেখানে কাজও করছে। যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী বলছেন, ভবিষ্যতে মানুষের ক্ষেত্রেও কৃত্রিম কিডনি ব্যবহার করা যাবে।
দেহের অন্য সাধারণ প্রত্যঙ্গ তৈরির ক্ষেত্রে একই ধরনের কৌশল এর আগেই রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। তবে যেসব প্রত্যঙ্গ তৈরির ক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি জটিলতার শিকার হতে হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কিডনি। যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীদের নতুন গবেষণা নিবন্ধটি বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী নেচার মেডিসিন-এ প্রকাশিত হয়েছে। এতে দেখা গেছে, কৃত্রিম এই কিডনির কার্যকারিতা স্বাভাবিক কিডনির তুলনায় অনেক কম। তবে মানবদেহের কোষ, কলা, প্রত্যঙ্গ ইত্যাদি প্রতিস্থাপন নিয়ে কাজ করেন (রিজেনারেটিভ মেডিসিন) এমন গবেষকেরা বলছেন, এর কার্যকারিতায় অনেক উন্নয়ন ঘটানোর সুযোগ রয়েছে।
প্রাণীদেহে রক্ত পরিশোধক হিসেবে কাজ করে কিডনি। এর মাধ্যমে রক্ত থেকে দূষিত পদার্থ ও অতিরিক্ত পানি অপসারিত হয়। অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে কিডনির। অনেক সময় এটা পাওয়ার জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালের এই গবেষকেরা ইঁদুরের কিডনি সংগ্রহ করে একধরনের পরিষ্কারক (ডিটারজেন্ট) ব্যবহার করে কিডনির পুরোনো কোষগুলো ধুয়ে বাদ দেন। এরপর বিশেষ প্রক্রিয়ায় কিডনিটি পুনর্গঠন করা হয়। তারপর টানা ১২ দিন সেটাকে এমন একধরনের চুল্লিতে রাখা হয়, যেখানে ইঁদুরের দেহের সমপরিমাণ তাপমাত্রা থাকে।
কিডনিটি যখন গবেষণাগারে পরীক্ষা করা হয়, তখন সেটি স্বাভাবিক কিডনির প্রায় ২৩ শতাংশ মাত্রায় মূত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়। তবে যখন কিডনিটি একটি ইঁদুরের দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়, তখন কর্মক্ষমতা কমে পাঁচ শতাংশে দাঁড়ায়। গবেষকেরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে মানবদেহের জন্যও এ ধরনের কিডনি তৈরি ও ব্যবহার করা যাবে। তবে সে রকম কিছু ভাবার আগেই অনেক বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে হবে। বিবিসি।
সূত্রঃ প্রথম আলো
একেবারে ফিট থাকতে গেলে কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। সুস্থ শরীর তার সঙ্গে শান্তিময় জীবন লাভ করতে কে না চায়। কিন্তু বিশৃঙ্খলার আড়ালে জীবনটাই এলোমেলো হয়ে যায়। থাকে না শান্তি, থাকে না স্ব্বস্তি। সুস্থ থাকার কিছু সূত্র আছে। সেগুলো কী তা জেনে নিই।
--- প্রতিদিন নিয়মিত নামায পরুন।
— প্রতিদিন খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠে দুই অথবা তিন কি.মি. হাঁটুন। এরপর গোসল করে প্রার্থনা করুন। এতে মন এবং প্রাণ সতেজ থাকবে।
— সব সময় সোজা হয়ে বসুন।
— যখনই খাবার খাবেন তখন ভালো করে চিবিয়ে খাবার গ্রহণ করুন। এতে পাচন ক্রিয়া ঠিক থাকবে।
— মোটা হওয়ার প্রধান কারণ হলো তৈলাক্ত এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া। তাই এ ধরনের খাবার খুব কম খান।
— সম্ভব হলে সপ্তাহে একদিন উপোস করে শরীরে খাবারের সমতা বজায় রাখুন।
— গাড়ি থাকলেও খুব বেশি গাড়ি চালাবেন না। বেশিরভাগ সময় হেঁটেই কাজ সারুন। এতে পায়ের মাংসপেশীর ব্যায়াম হবে। আপনি দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে পারবেন।
— বেশি পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি আর ফলমূল খান।
— ঘরের সব কাজ নিজে করারই চেষ্টা করুন।
— ব্যস্ত থাকাটা শরীর ও মন—দুয়ের পক্ষে ভালো। তাই কাজে যতটা সম্ভব ব্যস্ত থাকুন।
— আপনার রুচি ও ব্যক্তিত্ব অনুয়ায়ী পোশাক পরিধান করুন।
— শরীরের নিয়মিত যত্ন নিন। শরীরের সৌন্দর্য বজায় রাখুন।
— গরমের দিন রাতে শোয়ার আগে গোসল করুন, এতে ঘুম ভালো হবে।
— রাতে শোয়ার আগে ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রোম ছিদ্রের মধ্য দিয়ে শ্বসন প্রক্রিয়া চালায়। সে কারণে শোয়ার আগে ঢিলেঢালা পোশাক পরে ঘুমানো উচিত।
— চুলের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখুন। কারণ চুল হলো সৌন্দর্যের অঙ্গ। সম্ভব হলে সপ্তাহে একদিন হার্বাল শ্যাম্প দিয়ে মাথা ধৌত করুন।
— প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট ধ্যান করুন। এতে মানসিক শান্তি পাবেন। তার ওপর মনের জোরও বাড়বে।
— ক্রোধ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলুন।
— কথার উপরে সংযম রাখুন। আপনার কথায় কেউ যেন মানসিক দুঃখ না পায়। সেটা মাথায় রেখে কথা বলুন।
— রাতে শোয়ার সময় মনে কোনো চিন্তা রাখবেন না। সুস্ব্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য গভীর ঘুম অত্যন্ত জরুরি।
— পেশাগত কোনো সমস্যা থাকলে সে সমস্যাকে না জিইয়ে রেখে তা মেটানোর চেষ্টা করুন।

ধূমপান না করেও পরোক্ষ ধূমপানে যে কারোরই ক্ষতি হতে পারে ধূমপানের ক্ষতিকারক দিকের তো অভাব নেই। যিনি ধূমপান করেন, তিনি নিজের যেমন ক্ষতি করেন, ঠিক তেমনি অন্যেরও ক্ষতি করে চলেন সমানে। একজন ধূমপায়ী কেমন করে একজন অধূমপায়ীর ক্ষতি করেন? খুব সহজ কথায়, অধূমপায়ী ব্যক্তিটি পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। পরোক্ষ ধূমপানে ব্যক্তি যেসব সমস্যায় পড়তে পারেন তা জেনে নেওয়া যাক—
 যাঁরা ধূমপান করেন না কিন্তু আশপাশের মানুষের কাছ থেকে নিত্যদিন সিগারেটের ধোঁয়া গ্রহণ করেন, তাঁদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায় অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি।
 যাঁরা বহু দিন ধরে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার, তাঁদের ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
 হূৎপিণ্ডের পাকাপাকি ক্ষতিতে পরোক্ষ ধূমপানের প্রভাব অনেক বেশি।
 পরোক্ষ ধূমপান কখনো কখনো স্ট্রোকের জন্য দায়ী।
 শ্বাসকষ্টজনিত রোগের একটি বড় কারণ পরোক্ষ ধূমপান।
 পরোক্ষ ধূমপানে কখনো বুকে কফ জমে যায়, হয় কাশি।
 নিউমোনিয়া হয় কখনো পরোক্ষ ধূমপানে।
 ব্রঙ্কাইটিস আর হাঁপানির জন্যও অনেকাংশে দায়ী পরোক্ষ ধূমপান।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, যিনি বা যাঁরা পেশাদার ধূমপায়ীদের সঙ্গে বসবাস করেন, তাঁদের হূদেরাগ এবং ফুসফুস ক্যানসার হওয়ার প্রবণতা অন্যদের তুলনায় অন্তত বেড়ে যায় ৩০ গুণ। শিশুদের বেলায় এই ক্ষতিটা হয় আরও
মারাত্মক। শিশুদের বাড়ন্ত শরীরে পরোক্ষ ধূমপান বড় খারাপ প্রভাব ফেলে।
 তাঁদের হূৎপিণ্ড স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠে না।
 পরোক্ষ ধূমপানে শিশুর ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
 শিশুদের ক্ষেত্রে ব্রঙ্কাইটিস আর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার হার বেড়ে যায় দ্বিগুণ।
 অবাক হলেও সত্য, পরোক্ষ ধূমপানে শিশু কানের সমস্যায়ও ভোগে কখনো কখনো।
 আস্তে-ধীরে শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও কমতে থাকে।
একজন ধূমপায়ী নিজে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি তাঁর পরিবারের সদস্যটিকেও টেনে আনছেন ক্ষতির মধ্যে।
অথবা তিনি ক্ষতি করছেন তাঁর পাশের মানুষটির। নিজের জন্য, তাঁর পরিবারের জন্য, তাঁর ছোট্ট শিশুটির জন্য অথবা তাঁর পাশে বসা অচেনা মানুষটির ক্ষতি এড়াতে তাঁর যেমন ধূমপান ছাড়া উচিত, ঠিক তেমনি অধূমপায়ীদেরও সচেতন হতে হবে পরোক্ষ ধূমপানে।
জীবন বাঁচাতে এক ব্যাগ রক্তের মূল্য যে কতখানি তা শুধু জানেন ভুক্তভোগীরাই। আমাদের দেশে সব সময়ই রক্তের স্বল্পতা বিরাজ করে, রক্তদাতাদের অপ্রতুলতাই এর ‍প্রধানতম কারণ।

আসলে রক্তদান সম্পর্কে অনেকের মনেই এক ধরণের অহেতুক ভীতি বা সঙ্কোচ কাজ করে। তবে রক্তদান কোনো কঠিন বা দুঃসাহসের কাজ নয়। ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী যেকোনো সুস্থ, রোগহীন মানুষ (পুরুষের ক্ষেত্রে ওজন কমপক্ষে ৪৮ কেজি, মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪৫ কেজি) প্রতি চার মাস পরপর এক ব্যাগ করে রক্ত এমনিতেই দিতে পারেন। এতে রক্তদাতার শারীরিক ক্ষতি বা অসুস্থতার কোনো সম্ভাবনা নেই।

রক্ত দেওয়ার জন্য আলাদা কোনো খাদ্যাভ্যাস বা জীবন প্রণালী অনুসরণেরও প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া আর জীবন যাপনই যথেষ্ট।

তবে রক্তদানের আগে ও পরে পানি পান করা যেতে পারে। এছাড়া রক্তদানের পর একটুখানি বিশ্রামও শরীরের জন্য উপকারী। এরপরপরই রক্তদাতারা তাদের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়তে পারেন, কোনো অসুবিধাই নেই।

একজন মানুষের শরীরে সাড়ে ৫ থেকে ৬ লিটার রক্ত থাকে। আর এক ব্যাগ থাকে ৩৫০ থেকে ৪৫০ মিলিলিটার সমপরিমাণ রক্ত।

দান করা রক্তের প্লাজমা বা রক্তরসের অভাব পূরণ হয়ে যায় বেশি বেশি পানি পানের মাধ্যমেই। আর রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান লোহিত কণিকা ১২০ দিন পরপর মানুষের শরীরে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই প্রতিস্থাপিত হয়। অর্থাৎ কেউ রক্ত দিক বা না দিক, পুরনো লোহিত কণিকাগুলো মরে গিয়ে ১২০ দিন পরপর মানুষের শরীরে নতুন লোহিত কণিকা জন্ম নেয়।

বিশুদ্ধ রক্ত পাওয়ার জন্য মানুষ দ্বারস্থ হয় সন্ধানী, রেড ক্রিসেন্ট, বাঁধন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন প্রভৃতি সংগঠনের। স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের দান করা রক্তের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয় এসব সংগঠন। মানুষ যত বেশি রক্ত দেবে, তত বেশি বিশুদ্ধ রক্তের ব্যবস্থা করার সক্ষমতা অর্জন করবে এসব সংগঠনও ।

তাই স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসুন। আপনার অন্তত এক ব্যাগ রক্ত দানে বেঁচে যেতে পারে একটি সম্ভাবনাময় প্রাণ।
- বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
হূদেরাগের অন্যতম কারণ রক্তচাপ। রক্তচাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ডিমের সাদা অংশ। এতে এমন একটি উপাদান আছে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
চীনের জিলিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা গবেষণা করে দেখেছেন, ডিমের সাদা অংশে আরভিপিএসএল নামের এক ধরনের প্রোটিন আছে। রক্তচাপ কমাতে সচরাচর ক্যাপটোপ্রিল ধরনের যে ওষুধ ব্যবহার করা হয়, ওই প্রোটিন তার মতো কাজ করে।
গবেষকেরা উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন ইঁদুরকে ডিমের সাদা অংশের আরভিপিএসএল প্রোটিন খেতে দেন। এরপর দেখা গেছে, ইঁদুরের রক্তচাপ কমে এসেছে। এখন মানুষের ওপর এই পরীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা করছেন গবেষকেরা।
গবেষক দলের প্রধান জিলিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ঝিপেং ইয়ু বলেন, ‘উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ডিমের সাদা অংশের আরভিপিএসএল প্রোটিনের ব্যবহার দারুণ কাজে আসতে পারে।’
রান্নার পরও ডিমের ওই আরভিপিএসএল প্রোটিন ঠিক থাকে। কাজেই যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাঁরা রান্না করা ডিম খেয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।

প্রথম আলো ডেস্ক
১. মরেুদন্ড ও ঘাড় বাঁকা করে (নীচু হয়ে) কোন কাজ করবনে না।
২. যে কোন একদিকে কাঁত হয়ে হাতে ভর দিয়ে শোয়া থেকে উঠবনে।
৩. পিড়া, মোড়ায় না বসে পিঠে সাপোর্ট দিয়ে চেয়ারে বসবেন।
৪. হাটু ভাঁজ করে বসা উচিৎ নয়।
৫. ফোমের বিছানায় (নরম বিছানায়) শোয়া নিষেধ।
৬. চেয়ার-টেবিলে বসে ভাত খেতে হবে।
৭. নির্দেশ মত নিয়মিত ব্যায়াম করবেন।
৮. উপদেশ মত ফিজিক্যাল থেরাপী নিবেন।
৯. দাঁড়িয়ে রান্না করবেন, প্রয়োজন হলে চেয়ারে বসে রান্না করবেন।
১০. আক্রান্ত স্থানে অল্প গরম পানিতে তোয়ালে ভিজেয়ে শাক দিবেন।
১১. কোন জিনিস তোলার সময় সোজা হয়ে বসে তুলবেন।
১২. ঝরণায় অথবা সোজা হয়ে বসে গোসল করবেন।
১৩. উপুর হয়ে ঘুমাবেন না, শুয়ে টিভি দেখবেন না।
১৪. হাই-হিল যুক্ত জুতা পরবেন না।
১৫. যাত্রার সময় সামনের অথবা মাঝামাঝি আসনে বসুন।
১৬. কলার/করসেট বেল্ট দেয়া হলে তা ভ্রমনের সময় অবশ্যই পরবেন, ঘুমানোর সময় ও ব্যয়াম করার সময় খুলে রাখবেন।
১৭. লেখা পড়া করার জন্য মাইনাস ডেস্ক ব্যবহার করবেন।
১৮. বোতল হাতে ঘার বাঁকা করে পানি পান করবেন না।
১৯. গাল সেভ করার সময় মাথা বাকা না করাই উত্তম।
২০. উঁচু কমোডে বা চেয়ারে ছিদ্র করে বসে পায়খানা করবেন।
২১. দীর্ঘক্ষন ধরে হাটা বা দৌড়ানো ঠিক নয়।
২২. দীর্ঘ সময় যাবত দাঁড়িয়ে কিংবা বসে থাকবেন না, মাঝে মাঝে অবস্থান বদলাবেন।
২৩. হাঁটার সময় নির্দেশ মত লাঠি ব্যবহার করবেন।
২৪. শোবার সময় একটি পাতলা নরম বালিশ দ্বারা ঘাড়ে সাপোর্ট দিয়ে ঘুমাবেন।
২৫. শেখানো ব্যয়াম দিনে দুইবার নিয়মানুযায়ী করবেন।
২৬. ব্যথা বেশী থাকা অবস্থায় কোন প্রকার ব্যায়াম করবেন না।
২৭. মোটা ব্যক্তির শরীরের ওজন কমাতে হবে।
২৮. কোন প্রকার মালিশ করবেন না।
২৯. ঝুকিপূর্ণ যানবাহন বা রাস্তা ব্যবহার করবেন না।
৩০. সিড়িতে ওঠার সময় ধীরে ধীরে হাতল ধরে সোজা হয়ে উঠবেন।

http://dollars24.blogspot.com/
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে যার, নিরাপদ জীবন তার- এই স্লোগানকে সামনে রেখে এবারের বিশ্বস্বাস্থ্য দিবস পালিত। আমাদের হার্টে প্রতিনিয়ত পাম্পের মতো প্রতিটি কোষে রক্ত সরবরাহ করে থাকে। এই রক্ত প্রবাহমান ধারায় রক্তনালীর দেয়ালে যে বল প্রয়োগ করে তাই রক্তচাপ। এই প্রবাহে কোনো ধরনের বাঁধা বা স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হলে সে অবস্থাকে আমরা উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলি। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা সব সময়ই নির্ভর করি ডাক্তার আর ওষুধের ওপর। কিন্তু আমরা চাইলে ঘরোয়া ভাবেও এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি। কীভাবে, জেনে নিন:

মাছ, মাংস, সবজি: মাছ ও মুরগির মাংস খেলে আমাদের রক্ত​​চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু লাল মাংস বিশেষ করে গরুর মাংস খেলে রক্তচাপ আরও খারাপ অবস্থায় চলে যায়। সবজি এবং মাছ আমাদের শরীরের জন্য উপকারি। প্রতিদিনের খাবারে প্রচুর সবজি এবং মাছ রাখুন।

রসুন: বিশ্বজুড়ে অনেক ধরনের খাদ্য তৈরিতে একটি বিশেষ উপাদান হচ্ছে রসুন।মনে করে দেখুন, অামাদের দাদী, নানীরা ছোটবেলায় প্রতিদিন এক টুকরো রসুন খেতে বলতেন। আসলে ওনারাই সঠিক ছিলেন। এই প্রাকৃতিক ওষুধ রসুন আমাদের শরীরের কলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

পেঁয়াজ এবং মধু: উচ্চ রক্তচাপ দ্রুত কমিয়ে দেওয়ার জন্য একটি দারুণ টিপস্ হচ্ছে, একটি কাপে এক চা চামচ পেঁয়াজের রস এবং দুই চা চামচ মধু নিয়ে প্রতিদিন খান।

গাজর: আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিনে দুবার গাজরের জুস খান। নিয়মিত গাজর খেলে আমাদের ত্বকও ভালো থাকে।

বিট: বিটের জুসও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে টনিকের কাজ করে।

লবণ: সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিনের খাবার থেকে অবশ্যই কাঁচা লবণ বাদ দিতে হবে।

এতো গেল খাবারের কথা। নিয়মিত মেডিটেশন করুন, প্রতিদিন আধা ঘণ্টা হাঁটুন আর দুশ্চিন্তা দূরে রেখে প্রিয়জনের সঙ্গে হাসিখুশি থাকুন।

উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক হয়ে দেখা দিতে পারে। এটি হার্ট এটাক, স্ট্রোক, হৃদরোগ এমনকি মৃত্যুরও কারণ হতে পারে। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করুন।

সুতঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
লক্ষণ ও উপসর্গ
১. কোমরের নিচে ব্যথা হওয়া, সম্ভবত তীব্র ব্যথা। এটা হঠাৎ করেও আসতে পারে, কিংবা ধীরে ধীরেও আস্তে পারে; এই ব্যথা এক নাগারে চলতে পারে কিংবা দিনের কোন একটা বিশেষ সময়ে হতে পারে কিংবা আপনি যখন কোন একটা নির্দিষ্ট দেহ ভঙ্গিমায় থাকেন তখনও হতে পারে; ব্যথাটা দেহের কোন নির্দিষ্ট অংশেও সীমাবদ্ধ থাকতে পারে কিংবা দেহের পেছনের অন্যান্য অংশেও হতে পারে।
২. পায়ে কিংবা নিতম্বে, বিশেষত শরীরের যেকোন এক পাশে অসাঢ়তা, জড়তা, টন টনে কিংবা তীব্র ব্যথা হওয়া।
৩. কাশি আসলে, হাচি দিলে কিংবা দেহ ঘোরানোর সময ব্যথার পরিমাণ বেড়ে ওঠা।

দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন যদি আপনি স্নায়ুবিক ক্ষতির নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো দেখতে পান:
১. যেকোন ধরনের অসাঢ়তা কিংবা অবসাদগ্রস্ততা, বিশেষত আপনার যৌনাঙ্গে কিংবা পায়ুপথে অসাঢ়তা দেখা দিলে।
২. মল ত্যাগের নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটলে|
৩. দুই পায়ে কিংবা এক পায়ে দুর্বলতা দেখা দিলে।

কী করা উচিত
১. যদি ব্যথার কারণে আপনার ঘুমাতে অসুবিধে হয়, সেক্ষেত্রে হাটুর নিচে এবং দুই হাটুর মাঝখানে বালিশ রেখে ঘুমোতে পারেন।
২. উল্টো হয়ে অর্থাৎ পেটের উপর ভর দিয়ে শোবেন না।
৩. এসিটামিনোফেন, এ্যাসপিরিন, কিংবা ইবুপ্রোফেণ সেবন করতে পারেন।
৪. এই ব্যথা শুরু হবার প্রথম দুইদিন পর্যন্ত ৫ থেকে ১০ মিনিট করে দিনে দুইবার বরফের খণ্ড কাপড়ে মুড়ে পীড়াদায়ক স্থানে চেপে ধরে রাখুন। দুই দিন পর গরম কাপড় বা হিটিং প্যাড নিয়ে সেখানে লাগান এবং উষন্ন জলে স্নান করুন।
৫. যদি গাড়ি চালাবার সময় আপনার এই ব্যথা হয় সেক্ষেত্রে আপনার পিঠের দিকের যে সামাণ্য ফাঁকা স্থান রয়েছে সেখানে একটা টাউয়েল কিংবা ছোট বালিশ রেখে দেখতে পারেন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন
দ্রুত জরুরী চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন:
১. যদি আপনার পেছন দিকের এই ব্যথার সাথে স্নায়ুবিক ক্ষতির লক্ষণগুলোও দেখা যায়, যেমন মল বা মূত্র নিয়ন্ত্রণে অপারগতা।
২. যদি এই ব্যথা অত্যন্ত তীব্র কিংবা আপনার দৈনন্দিন কাজ কর্মে সমস্যা হয়।
৩. যদি ব্যথাটা কয়েক দিনেও না যায় কিংবা ফিরে ফিরে আসতে থাকে।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. নিয়মিত ব্যায়াম করুন। সেইসব ব্যায়ামগুলো করবেন না যেগুলোতে আপনার দেহকে মোচড়া মুচড়ি করতে হয় অর্থাৎ এদিক ওদিক বাঁকাতে হয়, কিংবা যে ব্যায়ামগুলো আপনার এই ব্যথাকে আরও বাড়িয়ে দেয় সেগুলো বাদ দেবেন। তবে সাঁতার কাটা, হাঁটা এগুলো আদর্শ ব্যায়াম হিসেবে চালিয়ে যেতে পারেন।
২. যেসব ব্যায়াম করলে আপনার উদরের পেশিগুলো মজবুত হয় সেগুলো করুন (বিশেষত হাটা ভাজ করে উঠা বসা)। একই সাথে, আপনার মেরুদণ্ডের সাথে সমান্তরালে যে পেশিগুলো রয়েছে সেগুলোকে আরও প্রসারিত করুন (যেমন চিত হয় সমান জায়গায় শুয়ে পড়ুন, এবং একটা হাটু ভাজ করে বুকের দিকে টেনে আনুন, তারপর আরেকটা হাটু টেনে বুকের উপর আনুন এবং আগের হাটু টিকে আগের অবþহানে পাঠিয়ে দিন।)।জ্ঞের
৩. যোগ ব্যায়ামের চেষ্টা করুন। যারা এই সমস্যায় ভুগেন এবং ডাক্তারেরাও পরামর্শ দিয়ে থাকেন যে যোগ ব্যায়াম এই রোগের নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকর। তাছাড়া যোগ ব্যায়াম আপনাকে আরাম দেয় এবং আপনার মানসিক এবং শারীরিক চাপ হন্সাস করে।
৪. আরামদায়ক এবং কম হিলওয়ালা জুতো পরুন।
৫. যদি আপনি এমন কোন কাজ করেন যে কাজ করতে অনেক্ষণ একনাগাড়ে বসে থাকতে হয় সেক্ষেত্রে আপনার চেয়ারের সাথে আপনার দৈহিক গড়ন অনুযায়ী ফ্লোর থেকে সঠিক উচ্চতা থাকে এবং আপনার পিঠ এবং পেছনের অংশকে যথেষ্ট সাপোর্ট দিতে পারে। প্রতি আধঘন্টা অন্তর অন্তর কয়েক মিনিট হাটা চলা করুন।
৬. কোন কিছু উঠাবার সময় শরীর মোচড়াবেন না বা এদিক ওদিক ঘুরবেন না। এবং উত্তোলনের সময় পায়ের উপর চাপ দিন আপনার পিঠে নয়। এবং প্রতিবারে যতো কম ওজন সম্ভব উত্তোলন করুন।
৭. আপনার দৈহিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ভুড়ি থাকলে সেটা নিচের দিকের মেরুদণ্ডের উপর চাপ ফেলে।

সূত্রঃ http://www.doctor.bd24x7.com/
শহুরে জীবনে স্থূলতা ক্রমে প্রকট সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। প্রতিদিন আমাদের দেহ যে পরিমাণ ক্যালরি পোড়ায় এর চেয়ে বেশি ক্যালরি খরচের আর কোনো উপায় আছে কি? হ্যাঁ এবং না-এক্সপার্টদের মন্তব্য। দৃশ্যত খাঁটি বিষয়টি হলো বাড়তি ক্যালরি পোড়ানোর এক নাম্বার (এবং আদি ও অকৃত্রিম) উপায় হলো আরো বেশি করে কাজ, হাঁটাচলা করা।
ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনায় ইন্টারডিসিপ্লিনারি ওবেসিটি প্রোগ্রামের ডিরেক্টর ব্যারি এম পপকিন বলেন, আমরা দেখেছি বেশি বেশি নড়াচড়া ছাড়া ক্যালরি খরচ বা বিপাক ক্রিয়া বাড়ানোর কোনো রাস্তা নেই।

যদিও গবেষণায় দেখা যায়, দেহের ক্যালরি খরচের মাত্রা বেড়ে যায় এমন কিছু উপায় আছে। এখানে তেমনি কয়েকটি উপায় দেয়া হলো যেগুলো ব্যবহার করে ক্যালরি পুড়িয়ে স্থূলতার বিরুদ্ধে আপনার যাত্রা অব্যাহত রাখতে পারেন।

এক্সারসাইজের মাধ্যমে ক্যালরি পোড়ানো
এটা খুব সাধারণ ধারণা, যত বেশি এক্সারসাইজ করবেন ক্যালরি খরচ হবে তত বেশি। বস্তুত এক্সপার্টদের মতে, প্রতিদিন সময় নিয়ে হাঁটলে সেটাও ক্যালরি পোড়ানোর একটি বড় হাতিয়ার হতে পারে। আর এক্সারসাইজের ব্যাপারে কথা হলো, ধীরে ধীরে এর সময় বাড়াতে হবে।

শক্তি বাড়ানোর এক্সারসাইজ করে পেশি তৈরি করুন
আপনি যখন এক্সারসাইজ করেন তখন পেশির ব্যবহার হয়। এর ফলে পেশির দৃঢ়তা বাড়ে। আর এমনকি যদি আপনি বিশ্রাম নেন তখনো পেশির কোষগুলো যতটা ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে দেহের চর্বি ততটা পারে না। বিশ্রামে থাকা অবস্থায় ১০ পাউন্ডের পেশি ৫০ ক্যালরি খরচ করে, যেখানে সমপরিমাণ ফ্যাট মাত্র ২০ ক্যালরি খরচ করে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেহের শক্তি বাড়ানোর বিভিন্ন এক্সারসাইজ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ এ সময় মানুষের বিপাক ক্রিয়া গতি হারায়। এ অবস্থাকে প্রতিহত করতে সপ্তাহে অন্তত কয়েকবার শক্তি বাড়ানোর এক্সারসাইজ করুন। থাই, তলপেট, বুক ও বাহুর পেশিগুলো দেহের সবচেয়ে বড় পেশি, এ কারণে এগুলো বেশি ক্যালরি পোড়াতে পারে।

ক্যাফেইনসমৃদ্ধ গ্রিন বা ব্ল্যাক টি পান করুন
ক্যাফেইন এক ধরনের উদ্দীপক আর উদ্দীপনা দেহে বাড়তি ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে। এটা আপনার দেহে কর্ম উদ্দীপনা তৈরি করে আর তার ফলে আপনি বাড়তি নড়াচড়া করেন। এছাড়া ক্যাফেইন দেহের বিপাকীয় পরিবর্তন ঘটায়, যা আপনার বাড়তি ক্যালরি ধ্বংস করে।

খাবার সঙ্গে চা পান করা চর্বির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আরেক উপায়। চায়ের নির্যাস খাবার সময় দেহের কার্বোহাইড্রেড গ্রহণকে প্রতিহত করে-এমনটাই জানা গেছে সেপ্টেম্বর ২০০৬-এ প্রকাশিত আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন থেকে।

অল্প খান, ঘন ঘন খান
দিনে যে কয়বারই আপনি খাবার খান আপনার গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টিনাল প্রক্রিয়া চালু হয়। বস্তুত এটা হলো খাবার হজম হওয়া এবং এর পুষ্টি দেহে ছড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া। মানুষের হজম মেশিনটি চালু হতে ক্যালরি খরচ হয় আর এ জন্যই আপনাকে বলা হচ্ছে প্রতিবার অল্প করে দিনে বেশ কয়েকবার খাওয়া-দাওয়া করুন। এতে বাড়তি কিছু ক্যালরি খরচ করতে পারবেন আপনি নিঃসন্দেহে।

সকালের নাশতা এড়াবেন না
ব্রেকফাস্ট সময়মতো করতে হবে। আমেরিকান ডায়েটিক অ্যাসোসিয়েশনের একটি জার্নালে সম্প্রতি বলা হয়েছে, দেহের ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে ব্রেকফাস্ট এড়ানোর সম্পর্ক আছে এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনেক গবেষণায় এমনটাই দেখা গেছে, যারা সকালের নাশতা করেন না, দিনে অতিরিক্ত খেয়ে তারা দেহে বাড়তি ক্যালরি যোগ করেন। তাছাড়া কেবল স্থূলতা এড়াতেই নয়, আদর্শ লাইফস্টাইলের জন্যও এ অভ্যাসে অভ্যস্ত হওয়া প্রয়োজন।

অল্প ফ্যাটসমৃদ্ধ ডেয়ারি প্রোডাক্ট খান
স্বল্প ননিযুক্ত খাবারে যে পরিমাণ ক্যালসিয়াম আছে তা ক্যালরি খরচে ভূমিকা না রাখলেও এর মাধ্যমে দেহে চর্বি জমতে পারে না। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যালসিয়ামে ভরপুর লো-ফ্যাটসমৃদ্ধ ডেয়ারি প্রোডাক্টের সঙ্গে পেটের চর্বির একটা যোগাযোগ আছে।

দিনে দুই লিটার পানি পান করুন
সারা দিনে অন্তত দুই লিটার পানি পান করবেন। এর ফলে আপনার বাড়তি ১০০ ক্যালরি খরচ হবে। জার্মানির এক ছোট গবেষণায় এমনটাই দেখা গেছে, জানালেন পোপ।

ভাবছেন, মাত্র ১০০ ক্যালরি? কিন্তু এ অভ্যাস গড়ে উঠলে সপ্তাহে ৭০০ এবং মাসে আপনার ২,৮০০ ক্যালরি পুড়বে। পাশাপাশি এটা আপনার হজম প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে এবং কিডনিও ভালো রাখবে। বাড়তি লাভ আরো আছে অনেক সময় তেষ্টা পাওয়াকে আমরা ক্ষুধার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলি। পানি পর্যাপ্ত খেলে এ বিভ্রান্তি ঘটার সম্ভাবনাও কমে যাবে।

এলোমেলোভাবে নড়াচড়া করুন
যে কোনো ধরনের দৈহিক নড়াচড়ার জন্যই এনার্জি দরকার। আর এলোমেলোভাবে হাঁটাটাও নিশ্চয়ই নড়াচড়ার মধ্যে পড়ে। ইংরেজিতে একে বলে ফিজেটিং। স্পেশালিস্টের বক্তব্য-পুরনো গবেষণায় দেখা গেছে, বাড়তি ক্যালরি খরচ হতে পারে ফিজেটিংয়ের মাধ্যমে। আরেক গবেষণায় দেখা যায়, নিয়ম করে নড়াচড়ার চেয়ে এলোমেলো নড়াচড়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হয় কে শুকনো আর কে মোটা।

সূত্রঃ http://www.doctor.bd24x7.com/
লক্ষণ ও উপসর্গ
১. দুর্গন্ধযুক্ত বা গন্ধহীন ঢেকুর ওঠা |
২. পেট ফেঁপে ওঠা |
৩. পেট ফেঁপে ওঠার দরূন তলপেটে বা উদরে ব্যথা হওয়া |

কী করা উচিত
১. গ্যাসের ব্যথার থেকে রেহাই পেতে পিপারমিন্ট, কেমোমাইল কিংবা ফিনেল দিয়ে চা বানিয়ে খেতে পারেন|
২. যদি আপনি গ্যাস নির্গমনের চাপ অনুভব করেন সেক্ষেত্রে সেটা চেপে রাখবেন না, প্রয়োজনে রুমের বাইরে গিয়ে হলেও কাজটা সেরে ফেলুন!
৩. যদি পেটে গ্যাস হবার কারণে আপনার ব্যথাটা তীব্র হয়ে ওঠে সেক্ষেত্রে চিত হয়ে শুয়ে পড়ে পা দুটোকে বুকের সাথে মেলাতে পারেন এবং ওভাবে কিছুক্ষণ অবþহান নিতে পারেন, এই ব্যায়াম চর্চার মাধ্যমে পেটে জমে থাকা গ্যাস বের হওয়া সহজ হয়।

কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি পেটে গ্যাস হবার কারণে ব্যাথা আপনার নাভির কাছ থেকে শুরু হয়ে তলপেটের নিচের দিকের ডান পাশে পর্যন্ত সরতে থাকে সেক্ষেত্রে এটা হয়তো এপেনডিসাইটিসের লক্ষণ|
২. যদি আপনার তিনদিনেরও বেশি সময় ধরে ক্রমাগত আপনার পেটের স্ফিতী থেকে যায়|
৩. যদি গ্যাস নির্গমনের সময় কিংবা মল ত্যাগের সময় আপনার তলপেটে তীব্র ও আকস্মিক ব্যথা জেগে ওঠে সেক্ষেত্রে এটা হয়তো আইবিএস বা ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রম-এর লক্ষণ।
৪. যদি আপনার পেটে প্রায়ই গ্যাস জন্মায়, এবং আপনার ওজন যদি কমতে থাকে, এবং আপনার মলের রঙ যদি ম্লান হয় এবং দুর্গন্ধ যুক্ত হয় সেক্ষেত্রে আপনি হয়তো বদহজমের সমস্যায় ভুগছেন (ম্যালএ্যাবজরশন ডিজওর্ডার বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ হজমে অসমর্থতা)।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. তীব্র গ্যাস এবং গ্যাস সংক্রান্ত ব্যথা থেকে আপনি কেবল আপনার খাদ্য তালিকা পরিবর্তন করেই মুক্তি পেতে পারেন। মনে রাখবেন যে যদিও বেশি আঁশযুক্ত খাবারগুলো গ্যাস তৈরি করে কিন্তু এই খাবারগুলোই আবার একটি স্বাþহকর খাদ্য তালিকার জন্যে অপরিহার্য খাবার। ফল এবং শাকসব্জি এবং বিচি জাতীয় খাবার এবং আস্ত খাদ্যকণা যেগুলো সেগুলো বাদ না দিয়ে বরং পেটে যাতে গ্যাস না হয় সেজন্যে খাদ্য তালিকায় নিম্নোক্ত পরিবর্তনগুলো চেষ্টা করে দেখতে পারেন:
২. শুকনো সিমের বিচি কিনুন। সারারাত সেগুলো পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এবার পানি ফেলে দিয়ে পরিস্কার পানিতে বিচিগুলো রান্নার জন্যে চড়িয়ে দিন। লক্ষ্য রাখবেন বিচিগুলো যেন পুরোপুরি সেদ্ধ হয়।
৩. প্রচুর পরিমাণ পানি বা পানীয় পান করুন।
৪. যেসব খাবার বা স্ন্যাকস-কে মিষ্টি করার জন্যে ফন্সুকটোজ (ফলের চিনি) ব্যবহার করা হয় বা সরবিটল (কৃত্তিম চিনি) ব্যবহার করা হয় সেগুলো পেট ফাঁপার জন্যে দায়ী।
৫. আস্তে আস্তে খান, খাবার পুরোপুরি চর্বন করুন, এবং বেশি খাওয়া পরিত্যাগ করুন। (মনে রাখবেন যে খাবার পর পেট ভরেছে এই অনুভূতি আসতে প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে।)
৬. খাবার পর হালকা হাটা চলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। মধ্যম ধরনের শরীর চর্চা হজমি শক্তিকে বাড়িয়ে তোলে এবং গ্যাস দ্রুত নির্গমনে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
৭. কার্বোনেটেড পানীয় (যেমন কোকা কোলা, পেপসি ইত্যাদি), চুইং গাম, এবং স্ট্র দিয়ে সিপ করে করে পান করার অভ্যাস ত্যাগ করুন। এগুলোর প্রত্যেকটিই আপনার পাকþহলিতে গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।

Signs and Symptoms
1. Belching.
2. Flatulence.
3. Abdominal pain of bloating.

What to do now
1. Try Teas made with peppermint, chamomile, or fennel to relieve gas pains.
2. If you need to release gas, release it-even if it means you have to leave the room.
3. If you are suffering from severe gas pains, try lying on your back and pulling your legs up to your chest. It’s easier to expel the gas in this position.

When to call a doctor
1. If you have severe pain that starts close to the navel and moves to the lower-right area of the abdomen; this could be a sign of appendicitis.
2. If you have persistent, unexplained bloating for more than three days.
3. If you have lower abdominal pang that decreses when you pass gas or have a bowel movement; you may have irritable bowel syndrome.
4. If you have frequent gas, are losing weight, and have pale, foul-smelling bowel movements; you could have malabsorption disorder (inability to digest fat).

How to prevent it
1. You can usually avoid excessive gas and gas pains simply by changing your diet. Keep in mind, though, that the high-fiber foods that often cause gas are also those most essential to a healthy diet. Rather than cutting down on fruits, vegetables, beans and whole grains try these changes to reduce gas:
2. Buy dry beans rather than canned. Soak them overnight in water, then pour out the water and replace it with fresh water for cooking. Make sure to cook the beans thoroughly.
3. Drink plenty of fluids.
4. Avoid foods and snacks that are sweetened with fructose (fruit sugar) or sorbitol (an artificial sweetener), both of which can increase flatulence.
5. Eat slowly, chew your food thoroughly, and avoid overeating. (Remember that it may take 20 to 30 minutes for a sensation of fullness to set in).
6. Take a walk after meals. Moderate exercise improves digestion and helps move gas through your system more quickly.
7. Avoid carbonated drinks, chewing gum, and drinking through a straw; these can increase the amount of air that gets into your stomach.

সূত্রঃ http://www.doctor.bd24x7.com/
চুল পরা হালকা থেকে সম্পূর্ণ টাক অবধি হতে পারে। অনেক করাণে চুল পরতে পারে। বড় অসুখ থেকে সেরে ওঠার পরে চুন পরে যেতে পারে, সার্জারির পরে, মায়েদের সন্তান প্রসব করার পরে কখন কখন এটা হয়। অল্প স্বল্প চুলতো পরেই তবে টাক পরে যাওয়াটা স্বাভাবিক নয়। 
ঔষধের প্রতিক্রিয়া
ঔষধের কারণে হঠাৎ চুল পরে যেতে পারে এবং সারা মাথার চুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
 অসুখ হওয়ার কারণে
শারীরিক অসুস্থতার কারণে চুল পরতে পারে। যেমন থাইরয়েড হলে (হাইপোথাইরয়েডিসম বা হাইপারথাইরয়েডিসম), সেক্স হর্মনের ব্যালান্স নষ্ট হলে বা নিউট্রিশানের অভাবে আইরন, জিঙ্ক, বা/ও টিনের অভাবে। যারা খাবার খুব মেপে বা বেছে খায় বা যে সকল মহিলাদের খুব বেশি রজঃস্রাব হয়।
মাথায় ফাংগাল ইনফেকসান হলে 
মাথার কোন অংশে টাক পরে যেতে পারে ফাংগাল ইনফেকসান হলে এই কারণেই অনেক সময়ে বাচ্চাদের কোন কোন অংশে চুল পরে যায়।
বংশগত টাক পরার ধাত ছেলেদের চুল পরার একটা ধরণ আছে (প্রথমে মাথার সামনে তার পর মাথার মাঝখান)
এটা বেশির ভাগ পুরুষদের হয় এবং এটা অল্প বয়সেই শুরু হতে পারে। এটা তিনটি কারণে হতে পারে, বংশগত, হর্মনের জন্য বা বয়স বাড়ার ফলে। মহিলাদের চুল পরা সামনে থেকে না হয়ে মাথার মাঝখান থেকে শুরু হয়।
উপসর্গ
রোজ50 থেকে 100টা চুল পরা স্বাভাবিক এর থেকে বেশি পরলে চিন্তার বিষয়। পাতলা চুল হলে টাক দেখা যায় বেশি করে।
নিবারণ করা
চুল পরা কিছু মাত্রায় কমানো যায় ঠিক ঠাক প্রয়োজনীয় খাবার খেলে, চুলে ব্যবহার করা তেল,সাবান ঠিক করে বাছলে এবং চুল পরা বন্ধ করে এমন ঔষধ খেয়ে। ফাংগাল ইনফেকসান হলে চুল পরিষ্কার রাখতে হবে কারোর সাথে চিরুনি, টুপি অদলবদল করা যাবে না। বংশগত চুল পরা চিকিত্সার মাধ্যমে সারানো যায়।
কোন খাবারগুলো স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য একান্ত প্রয়োজন:

  • গাঢ় সবুজ সবজি ।এতে রয়েছে Vit-A, vit-C যা natural conditionar 'এর কাজ করে 
  • গাঢ় সবুজ শাক ।এতে আছে Vit-E 
  • বিভিন্ন ধরনের been যেমন-শিমের বিচী, মটর শুটি, বরবটি ইত্যাদি। এগুলো প্রোটিনের ভালো উৎস। আরও আছে iron,Zinc, Biotin । Biotin চুল ভেঙ্গে যাওয়া প্রতিরোধ করে।
  •  বিভিন্ন ধরনের বাদাম যেমন- কাঠ বাদাম, কাজু বাদাম, আখরোট। এগুলো natural conditionar 'এর কাজ করে।( তবে দৈনিক ১ মুঠের বেশি নয়।)
  •  চুল প্রোটিন দ্বারা তৈরী । তাই খাবার তালিকায় প্রথম শেনীর প্রোটিন রাখতে হবে, যেমন-মুরগী, ডিম। *
  • লাল চাল,লাল আটা অর্থাৎ whole grain খেতে হবে।এতে Zinc, Iron, Vit-B পাওয়া যায়। 
  • Low fat দুধ । এতে calcium আছে, যা চুলের বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশকীয় উপাদান protein তো আছেই। 
  • গাজর।Vit-Aএর ভাল উৎস। প্রতিদিন Snacks /salad হিসেবে খাবার তারিকায় রাখুন।
  • তিসি (Flax seed) চুলের জন্য ভীষণ উপকারী। মোটা গুড়া করে ১ চাচমচ পরিমান প্রতিদিন খাওয়া উচিত।(এতে omega -3 fatty acid আছে।)
  •  সূর্যমূখীর বীচি চুলকে মজবুত ও ঝলমলে করতে দারুন ভাবে কাজ করে।Dry roast করে ১মুঠ পরিমান খেতে পারেন। লক্ষ্য করুন: সূর্যমূখীর বীচি মশলার দোকান থেকে কিনবেন। গাছ/ফুলের চারার দোকান থেকে কিনবেন না, ওগুলোতে কীটনাশক দেয়া থাকে।

সবশেষ কথা হল, সুস্থ্য চুলের জন্য দরকার Balance Diet।Crash diet, very low calorie diet, FAD diet এর কারণে চুল পরে যায়, ভেঙ্গে যায়,রুক্ষ হয়ে যায়।

সূত্রঃ http://www.doctor.bd24x7.com/
Copyright © 2013 MEDIA INFO