Showing posts with label Economic. Show all posts


আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা সবাই কম বেশি ইন্টারনেট থেকে আয় করি বা করতে চাই কিন্তু সঠিক নিয়ম না জানার কারনে করতে পারি না। অথবা শুরু করার কিছুদিন পরেই আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় ধর্য্যহারা হয়ে আবার নতুন কিছু শুরু করি। এভাবে করেই যাচ্ছি কিন্তু কোন ভাবেই সফল হতে পারছি না। আপনি যদি প্রতিষ্ঠিত কোন ফ্রিলান্সার এর কাছে জান তাহলে দেখবেন তিনিও সবকিছু আগে থেকে জেনেই শুরু করেছিলেন এমন নয়। তিনিও আস্তে আস্তে শিখেছেন এবং প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তির কারনেই আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

আমরা বেশিরভাগ সময় যেটা করি। কোন বন্ধু বা বড় ভাইয়ের ফ্রিলান্সিং এ সফলতা দেখে প্রচণ্ড ভাবে অনুপ্রেরিত হই এবং সে কিভাবে কাজ করে, তার কত দিন লেগেছে এতদূর আসতে সেই বিষয়টি খেয়াল করি না। অনেক উত্তেজিত হয়ে কাজ শুরু করি কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পরেই মনে হয় ধুরর আমাকে দিয়ে এইসব সম্ভব নয়। আবার নতুন কোন আয়ের উপায় খুঁজতে বসে যাই। আসলে শেষ পর্যন্ত দেখা যায় ফলাফল শূন্য।

ফ্রিলান্সিং শুরু করতে হলে আপনার ভিতরে ৩টি জিনিস থাকতে হবে।
প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তি
অধ্যবসায়
রুটিন করে কাজ করা।

এখনই Registration করুন: http://www.neobux.com/?r=Shaiful1010
                                            http://www.clixsense.com/?7589864
এই তিনটি জিনিস যদি আপনার ভিতর থাকে তাহলে আপনার সফলতার গ্যারান্টি আমি দিবো।

আপনি কিভাবে ফ্রিলান্সিং শুরু করবেন?
আমার মতে, প্রথমেই বড় কোন প্ল্যাটফর্ম এ না গিয়ে ছোট কোন প্ল্যাটফর্ম বেছে নিন। যেমন, আপনি micro job, mini job, PTC ইত্যাদিতে কাজ করুন। প্রতিদিন ১০-৩০ মিনিট নিয়মিত সময় দিন এবং আপনার দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে যান। দিন অথবা রাতের নির্দিষ্ট একটি সময় বেছে নিন। যেই সময়টুকু আপনি ফ্রিলান্সিং এর কাজে ব্যয় করবেন। যেই কাজ শুরু করেছেন সেটি ঠিক ভাবে করুন। এক্ষেত্রে আপনাকে একটি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সেটি হল। আপনি কাজ করার সময় অনেক সাইট এ লোভনীয় বিজ্ঞাপন দেখবেন যেখানে আপনাকে অনেক ভাল আয়ের কথা বলবে। কিন্তু সাবধান কোন ভাবেই ভুল পথে পা দিবেন না। আপনি যেখানে শুরু করেছেন শুধু মাত্র সেটাতেই কাজ করে যান।
আপনি কোন ভাবেই রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাবেন না। কিন্তু বড় হওয়ার প্রচণ্ড ইচ্ছাই আপনাকে একদিন বড় করে তুলবে।
মনে করুন আপনি একটি PTC সাইট এ কাজ শুরু করলেন। এক্ষেত্রে আপনাকে ভাল একটি PTC সাইট খুজে বের করতে হবে।

কিভাবে একটি ভাল PTC সাইট খুজে বের করবেন?
ভাল PTC সাইট খুজে পেতে আপনি আপনার পরিচিত বড় ভাই যারা PTC থেকে ভাল আয় করে বা অনেক দিন PTC তে কাজ করেন তাদের কাছে সাহায্য নিতে পারেন। আবার গুগলকেও ব্যবহার করতে পারেন। সাইট টি সম্পর্কে ভাল ভাবে জানুন। অনলাইন এ রিভিউ দেখুন। ডোমেইন কত সালে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে সেটি দেখুন। তাদের নিজেস্ব ফোরাম ভিজিট করুন। তাহলে তাদের পেমেন্ট নিয়ে কোন সমস্যা আছে কিনা টা আপনি বুঝতে পারবেন। এর মধ্যে সবথেকে ভাল উপায় হল অন্য কারো থেকে সাইট সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যিনি ঐ সাইট এ কাজ করেছেন।
আপনি যদি আমাকে বলেন একটি ভাল PTC সাইট এর সন্ধান দিতে তাহলে আমি বলবো Neobux এর কথা কারন আমি প্রথম এই সাইট এই কাজ শুরু করেছিলাম। এবং এখনো করে যাচ্ছি।

Neobux কি?
Neobux হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সম্ভবত সেরা PTC সাইট. প্রতিদিন হাজার হাজার লোক এখানে Join করছে। আপনি যদি এখনো NeoBux এ অ্যাকাউন্ট না করে থাকেন। তাহলে আর ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। লেখাটি সম্পূর্ণ পরে তারপর Signup করুন।
Signup Now: http://www.neobux.com/?r=Shaiful1010
                       http://www.clixsense.com/?7589864

কিভাবে আমি NeoBux থেকে আয় করতে পারি?
১ বছর আগে আমি প্রথম NeoBux সম্পর্কে জানি, প্রথমে আমিও ভাবতাম শুধুমাত্র ক্লিক করে টাকা আয় করা সম্পূর্ণ অসম্ভব। তখন আমি NeoBux সম্পর্কে তেমন জ্ঞান বা কিভাবে এর থেকে ভাল আয় করতে হয় এগুল কিছুই জানতাম না। তাই কিছুদিন পরে কাজ করা বন্ধ করে দেই। যাইহোক, কিছুদিন পরে আমি অনলাইন এ একটি লেখা পড়ি “কিভাবে NeoBux সঠিক ভাবে আয় করা যায়” আপনি গুগল এ সার্চ করলে NeoBux সম্পর্কে অনেক লেখা পাবেন। অনেক রিভিউ পাবেন। তবে NeoBux এ কাজ করে টাকা আয় করতে হলে আপনাকে অবশ্যই একটি গাইড লাইন মেনে কাজ করতে হবে। নির্দিষ্ট লক্ষ নিয়ে কাজ করতে হবে।

ধাপ ১: শুরু করা।
কিভাবে আপনি NeoBux থেকে টাকা আয় করবেন?
NeoBux থেকে আয়ের তিনটি পদ্ধতি আছে:
১. আপনার ব্যক্তিগত কাজ viewing ads, doing mini-jobs, etc) থেকে আয়
২. RRS(Rented Referrals)থেকে আপনাকে দেওয়া কমিশন – ধাপ 3 এ পরে ব্যাখ্যা করব.
৩. DRS(Rented Referrals)থেকে আপনাকে দেওয়া কমিশন ধাপ 3 এ পরে ব্যাখ্যা করব.

আপনি কি পরিমান টাকা আয় করতে পারবেন?
নিয়ম মেনে কাজ করলে এবং লক্ষ নিয়ে কাজ করলে আপনি প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সময় বায় করে প্রতি মাসে কমপক্ষে ৩০০-৪০০ ডলার আয় করতে পারবেন। অবশ্যই এটি রাতারাতি হবে না। এর জন্য অনেক ধর্য্যের প্রয়োজন।
Signup Now: http://www.neobux.com/?r=Shaiful1010
                      http://www.clixsense.com/?7589864

ধাপ ২: প্রথম দুই সপ্তাহ (একটি টার্গেট পুরন করতে হবে)
আমার মতে, প্রথম দুই সপ্তাহ হল সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সময়। সঠিক নিয়ম জানার অভাবে এই সময়ের মধ্যে অনেকেই কাজ ছেড়ে দিবে। কিন্তু আপনি যদি কাজ চালিয়ে জান তবে আমি আপনাকে ১০০% নিশ্চয়তা দিতে পারি আপনি সফল হবেন-ই।
প্রথম ১৫ দিনে, আপনি RRS কিনতে পারবেন না, তাই আপনার লক্ষ থাকবেঃ
প্রতিদিন একই সময় Ads গুলো Click করা। এবং
আপনার প্রথম $ 0.60 আয় করা। যাতে আপনি এই টাকা দিয়ে RRS কিনতে পারেন।
আপনি প্রথম ২ সপ্তাহেই অনেক টাকা আয় করতে পারবেন না।
15 days * approx. $0.04 / day = $0.60. $0.60 আয় করাই আমাদের প্রথম লক্ষ
১ম লক্ষ – $ 0.60 উপার্জন করুন।
আপনি mini job করে এক বা দুই দিনের মধ্যে ১ম লক্ষে পৌঁছতে পারবেন। কিন্তু RRs কিনতে আপনাকে ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে এবং কমপক্ষে ১০০টি Ads View করতে হবে।
আপনি চাইলে অল্প পরিমান ইনভেস্ট করতে পারেন। কিন্তু আপনাকে NeoBux এর আসল মজা নিতে ১৫ দিন অপেক্ষা করতেই হবে।

ধাপ ৩: প্রথম RRS(Rented Referrals) কেনা (৩টি টার্গেট পুরন করতে হবে)
অভিনন্দন, আপনি এখন কিন্ডারগার্টেন থেকে প্রাথমিক এ উত্তীর্ণ হয়েছেন! হ্যাঁ অবশ্যই এটি বেশ ধর্য্যের ব্যাপার। অনেক মানুষ এই ১৫ দিনের আগেই নিরাশ হয়ে ফিরে যায়। কিন্তু আসল মজা এখন শুরু। চিন্তা করবেন না আপনি খুব ভাল ভাবেই আগাচ্ছেন।
একটু থামুন।

শর্তাবলী: “ফ্রী মেম্বার হিসেবে আপনাকে সব থেকে নিচের হলুদ রঙের ৪টি অ্যাড অবশ্যই প্রতিদিন ক্লিক করতে হবে অন্যথায় আপনার RRs থেকে কমিশন পাবেন না।”
Goal #2 – Rent 3 referrals by clicking the “Referrals” button on your account home page.
Goal #3 – Turn on “AutoPay” within the Referrals->Rented menu.
(আমি যেই গাইড দেখে শুরু করছিলাম সেখানে লেখা ছিল)
“Referrals cost 0.30 a month to maintain. Instead of paying for the referral, they will pay themselves as long as autopay is on. You get one penny less from each referral, but they will be your referral as long as they are active. As a standard, you receive 0.005 per click from each RR.”
আপনি যদি Autopay চালু রাখেন তাহলে আপনাকে আপনার RRs গুলো রিনিউ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।
তাছাড়া Autopay চালু রাখলে Neobux এর নিয়ম অনুযায়ী আপনি RRs রিনিউ এর উপর নির্দিষ্ট পরিমান ডিস্কাউন্ট পাবেন।
যদি আপনার RRs গুলো নিয়মিত কাজ করে তাহলে আপনি পাবেন।
3 RR * 4 RR-clicks at $0.005 each = $0.06 / day
Clicking ads assigned to you, still approx $0.04 / day
For a total of $0.10 / day.
আরো এক সপ্তাহের মধ্যে আপনি আরো ৩টি রেফারেল কিনতে পারবেন, এবং তখন আপনার প্রতিদিন আয় দাঁড়াবে $ 0.16
পরের সপ্তাহে আপনি আরো ৫টি রেফারেল কিনতে পারবেন এবং আয় দাঁড়াবে $ 0.26 প্রতিদিন (এখন আপনার ১১ RRS রয়েছে)
এক সপ্তাহ পরে আপনি আরো ১০টি রেফারেল কিনতে পারবেন এবং আয় দাঁড়াবে $ 0.46 প্রতিদিন (এখন আপনার ২১ RRS রয়েছে)
এবং ৪র্থ সপ্তাহ শেষে আপনার আরও ১৯ জন RRs কেনার মত Balance আপনার অ্যাকাউন্ট এ থাকবে। এখন আপনার মোট RRs থাকবে ৪০টি এবং প্রতিদিন আয় হবে $ 0.84 এভাবে চলতে থাকবে …
আপনি প্রতিদিন আপনাকে দেওয়া অ্যাড গুলো ভিউ করেন যাতে পরের দিন আপনি আপনার ক্রয় করা রেফারেল থেকে টাকা আয় করতে পারেন।
Signup Now: http://www.neobux.com/?r=Shaiful1010
                      http://www.clixsense.com/?7589864

টার্গেট # ৪ – ৩০০জন RRs না হওয়া পর্যন্ত এভাবে চালিয়ে যান।
হ্যাঁ এটা একটু সময় সাপেক্ষ কিন্তু আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি একটি নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন তবে শূন্য মূলধন দিয়ে। আবার আপনি যতো রেফারেল কিনছেন আপনার উপার্জন ততো তারাতারি বাড়ছে। আপনি চাইলেই যেকোনো সময় আপনার টাকা Withdraw করতে পারেন তবে আমার মতে লক্ষ পুরন না হওয়া পর্যন্ত টাকা না উত্তলন করাই ভাল।
লক্ষ করুন, এখন আপনার আয় 300 RRs * 4 RR-clicks at $0.005 per click = $6/day
টার্গেট-৫ — $90 আয় করা।
৩০০টি RRs হওয়ার পর আপনি রেফারেল কেনা বন্ধ করুন এবং টাকা জমাতে থাকুন। যখন আপনার ৩০০টি RRS রয়েছে তখন আপনার $90 করতে সময় লাগবে মাত্র ২ সপ্তাহ।
ধাপ ৪: “গোল্ড মেম্বার হওয়া!” (২টি target সম্পন্ন করতে হবে)
এখন আপনি, আপনি এখন রেফারেল ক্রয় বন্ধ করে গোল্ড মেম্বার হওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

কেন গোল্ড মেম্বার হবেন?
কারন, গোল্ড মেম্বার হলে আপনার সব ধরনের আয় দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

ধাপ ৫ – গোল্ড মেম্বারে অ্যাকাউন্ট আপগ্রেড
লক্ষ করুন
Here is your income before Golden:
300 RRs * 4 RR-clicks at $0.005 per click = $6.00 per day (plus DR-clicks and your personal clicks)
Here is your income after you go Golden:
300 RRs * 4 RR-clicks at $0.01 per click = $12.00 per day (plus DR-clicks and your personal clicks)

শেষ কথা
আপনি যদি আপনার সাফল্যের বাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকেন তবে আপনি অবশ্যই সাফল্য অর্জন করতে পারবেন। এই গাইড টি যদি আপনার জীবনে সামান্য উপকার হয়। তাহলে আমার লেখা সার্থক।

এখনই Registration করুন: http://www.neobux.com/?r=Shaiful1010
                                           http://www.clixsense.com/?7589864
সন্তান যখন পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে তখন অনেক অভিভাবকই সন্তানের স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করার ভয় দেখান। আবার যখন কোন প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মী সহসাই কর্মক্ষেত্রে খারাপ পারফরমেন্স দেখাতে শুরু করেন তখন অফিসের পরিচালক মনে করেন ঐ কর্মীর বেতন বাড়িয়ে দেওয়টাই বুঝি যুক্তিযুক্ত পদক্ষেপ হবে।

উপরে উল্লেখিত দুটি পদ্ধতির কোনটিই সুদীর্ঘ সময়ের জন্য কাউকে অনুপ্রেরণা যোগাতে পারে না। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে লেখা-পড়ায় মনোঃনিবেশ করাতে ল্যাপটপ কেড়ে নিয়ে শাস্তি দেয়ার চাইতে বরং একজন ভাল শিক্ষকের সাহায্য নেয়া যেতে পারে। অফিসে কর্তাব্যক্তি হিসেবে আপনিও কর্মীদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে কিছু কৌশলের আশ্রয় নিতে পারেন।

কেন আপনার কর্মী ভালো কাজ করার উৎসাহ হারাচ্ছে তা খুঁজে বের করুন
 কাজের প্রতি হারিয়ে যাওয়া উৎসাহ আবার ফিরিয়ে আনার প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে মানসিকতা পরিবর্তনের কারণ খুঁজে বের করা। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে আপনার কর্মী অলসতাবশত কাজে ফাঁকি দিচ্ছেন,কিন্তু এর পেছনে মনস্তাত্বিক কিছু কারণ থাকতে পারে। যেমন:

উদ্দেশ্যহীনতায় ভোগা- আপনার টিমের সদস্যরা যদি কোম্পানির লক্ষ্য সম্পর্কে অবগত না থাকেন তবে তাঁরা কাজের মান নিয়ে অবহেলা করতে থাকবেন। তাই আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি পরিবর্তন সম্পর্কে কর্মীদেরকে অবহিত করে দিন। একটি মিশন শেষ হলে আরেকটি মিশন নির্ধারণ করুন। কোম্পানির বর্তমান অবস্থান এবং যে উদ্দেশ্য নিয়ে আপনারা কাজে নেমেছেন তা সম্পর্কে সবসময় খোলা-মেলা আলোচনা করুন।

কাজের উপর কতৃত্ব হ্রাস পাওয়া- গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিজের কাজের উপর কিছুটা হলেও নিয়ণ্ত্রণ পেলে কর্মীরা কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কেবল বসের কথায় উঠতে-বসতে হলে অনেকেরই কাজের প্রতি অনিহা জন্মে। কর্মীদেরকে তাদের নিজেদের মত করে কাজ করার স্বাধীনতা দিন।

ব্যক্তিগত সমস্যা- একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে কোন সমস্যা ঘটলে তা অবশ্যই কর্মক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কর্মজীবন এবং ব্যক্তিজীবন দুটোই পরস্পরের সাথে নিদারূণভাবে সম্পর্কিত। কর্মীদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন। তাদের সমস্যা সম্পর্কে নিজেকে অবহিত রাখুন এবং সেগুলো কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করুন।

সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিন
একটি টাইমলাইন তৈরি করুন- ঠিক কতটা সময়ের মধ্যে আপনি একটি কাজ শেষ করতে চান তা সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করে দিন। কোন কাজ শেষ করার জন্য অনির্দিষ্টকাল সময় বেঁধে দিলে তা কখনও শেষ হবে না।

লক্ষ্য অর্জনে কতটুকু অগ্রগতি সাধন হয়েছে তা সবাইকে জানান- এক্ষেত্র আপনি চার্ট বা হোয়াইট বোর্ডের সাহায্য নিতে পারেন। আপনাদের প্রতিষ্ঠান যে দিন দিন উন্নতি লাভ করছে তার একটি নিদর্শন চার্টে এঁকে তা প্রদশর্ন করতে পারেন। এটি নিঃসন্দেহে সবার মনোবল বৃ্দ্ধি করবে এবং পরবর্তি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে উদ্বুদ্ধ করবে।

কাজ সম্পর্কে সঠিক মন্তব্য করুন
প্রত্যেক কর্মীই তার কাজ সম্পর্কে সৎ এবং সঠিক মন্তব্য পাওয়ার দাবি রাখেন। প্রশংসা যেমন ভালো কাজ করতে উৎসাহ দেয়, তেমনি সমালোচনাও আমাদেরকে ভুল থেকে শিক্ষা নিতে সাহায্য করে। সবচেয়ে বড় কথা হলো এরকম মন্তব্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে কর্মী এবং কর্তাব্যক্তির মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সাফল্যের স্বীকৃ্তি দিন- যেকোন ধরণের ভালো কাজের জন্য আপনার টিমকে বাহবা দিন। এর ফলে তারা সবসময় আরও বেশি ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা পাবেন। তাছাড়াও এধরনের বাহবা কর্মীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং দ্বায়িত্বশীলতা সৃষ্টি করে।

আন্তরিকতা নিয়ে প্রশংসা করুন- কখনই দায়সারা ভাবে কারও প্রশংসা করবেন না। কেউ যদি সত্যিই কোন ভাল কাজ করে থাকেন তবে আন্তরিকতা নিয়ে তাকে কাজের জন্য ধন্যবাদ জানান।

কর্মীদেরকে বিভিন্নভাবে পুরস্কৃত করুন- প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পরিশ্রমের মূল্য দিন। ভালো কাজের জন্য নানাভাবে তাদেরকে আপনি পুরস্কৃ্ত করতে পারেন। বেতন বাড়িয়ে, ছুটি মঞ্জুর করে বা বিশেষ প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়ে আপনি তাদের প্রতি সম্মান দেখাতে পারেন। ফলে কর্মীদের মাঝে বার্তা পৌঁছে যাবে যে আপনি সাফল্যের এই ধারা অব্যাহত দেখতে চান।

সব কথার শেষকথা এই যে, আপনি যদি কোন কর্মীর কর্মউদ্দীপনায় ঘাটতি দেখতে পান, তবে শুরুতেই ভেবে বসবেন না যে তিনি অলসতা বা অসাবধানতার বশে কাজে ফাঁকি দিচ্ছেন। সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করুন এবং সেই অনুযায়ী উদ্দেশ্য/লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিন। প্রশংসা এবং উৎসাহ যোগানোর মাধ্যমে একটি সুন্দর কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করুন। এভাবে আপনি আনায়াসেই গড়ে তুলতে পারবেন একটি দারূণ কর্মচঞ্চল টিম যারা কিনা নানারকম প্রতিকূলতা সামলে আপনার প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে যাবে সাফল্যের স্বর্ণশিখরে।

- See more at: http://finance.priyo.com/node/9967#sthash.6eYsXGzQ.dpuf
শুধু জিনিয়াসরাই নিজের মত করে কাজ করতে পারে। আর যারা জিনিয়াস না তারা অন্যকে অনুসরণ করে। এখন আপনিই ভাবুন কোনটা বেছে নিবেন।


  •  আপনি কি জানতে চান আপনি চলে যাওয়ার পর সবাই আপনাকে কতটুকু মিস করবে? এক গ্লাস পানিতে আঙ্গুল ডুবান। তারপর আঙ্গুল উঠিয়ে ফেলুন। আপনার আঙ্গুলের দ্বারা যে শূণ্য স্থান তৈরি হয়েছিল তা মুহুর্তেই পূর্ণ হয়ে যাবে। পানির শূণ্যস্থান পূর্ণ হতে যে পরিমাণ সময় লেগেছে আপনার শূণ্যতাও সেই পরিমাণই থাকবে।
  •  আমরা আমাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা কখনোই কাজে লাগাই না। যদিও আমাদের কর্মক্ষমতা সীমিত, আমরা এই সীমিত ক্ষমতাকেই কাজে রূপ দেই না।
  •  আপনি নেতৃত্বে না আসলে পরিবর্তন কখনোই সম্ভব না। যদি অন্য মানুষকে অনুসরণ করে চলেন তবে আপনার পক্ষে সর্বোচ্চ অন্য কারও মত হওয়া সম্ভব। এর চেয়ে বেশি কিংবা এর চেয়ে ভিন্ন হওয়া সম্ভব না।
  •  দুই কারনে মানুষ ব্যথা পায়। এক, নিয়ম মেনে চলতে গেলে মানুষ ব্যথা পায়। দুই, নিজের ভুলের জন্য কিংবা অনিয়মের জন্য মানুষ ব্যথা পায়। মনে রাখবেন, নিয়ম মেনে চললে আপনি হয়তো এক আউন্স পরিমাণ ব্যথা পাবেন আর নিয়ম মেনে না চললে আপনি এক টন পরিমাণ ব্যথা পাবেন। 
  • স্থূলকায়, মাতাল ও নির্বোধ লোক জীবনে কিছুই করতে পারে না। 
  • ভীরু কাপুরুষ মরে হাজার হাজার বার, কিন্তু সাহসী বীর মরে মাত্র একবার। 
  • আজকের ব্যথাই আগামীদিনের শক্তি। আজকে যত বেশি ব্যথা পাবেন আগামীকাল তত বেশি শক্তিশালী হবেন।
  •  ভয়কে জয় করতে পারার নামই সাহসিকতা।
  •  হয় কাজটি করুন, না হয় কাজটি ছেড়ে দিন। চেষ্টা করছি কখনোই বলা যাবে না। 
  • সময় হবে তারপর কাজ করবেন এমনটা কখনোই করা যাবে না। বার বার কাজ করার পর একদিন হয়তো সাফল্যের সেই কাংক্ষিত সময় আপনার কাছে ধরা দিবে। 
  • বিরক্তিভাব হচ্ছে বিষপানের মত, যা একদিন আপনাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিবে।
  •  জনহীন পতিত জমির মত সামনে বিশাল পথ। এ পথ পাড়ি দিতে হবে একা।
  •  অধ্যবসায়ী কোন দিন ব্যর্থ হয় না।

  •  - See more at: http://finance.priyo.com/node/10067#sthash.GD2uq2Dy.dpuf
বেশির ভাগ ব্যবসায়ীই তাদের ব্যবসা শুরু করে অল্প পুঁজি নিয়ে। পৃথিবীর বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাবো এদের বেশির ভাগই শুরু হয়েছিল অল্প পুঁজি নিয়ে। এদের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান সফল হয়েছে তাদের নামই আমরা শুনতে পাই। যেসব প্রতিষ্ঠান সফল হতে পারে নি তাদের নাম আমরা শুনতে পাই না। তবে নিশ্চয়ই আমরা অনুমান করতে পারি যে, যারা সফল তাদের কাজের ধরণ আর যারা ব্যর্থ তাদের কাজের ধরণ এক ছিলো না। এখন আমরা এমন কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলবো যেগুলো সফল ব্যাক্তিরা তাদের ব্যবসা শুরু করার সময় অনুসরণ করতেন।

যারা স্বল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরুর চিন্তা করছেন তারা যদি এ বিষয়গুলো মেনে কাজ চালিয়ে যেতে পারেন তবে তাদের দ্বারা সফল হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি হবে।

অন্যের কথায় ভয় পাওয়া যাবে না
অনেকেই খুব সহজে বলে থাকে তুমি যা করছো তা ঠিকমতো হচ্ছে না, তোমার এখন অন্য কিছু শুরু করা উচিত। এরকম কথা বলা খুবই সহজ। যদি আপনি এসব কথায় প্রভাবিত হোন তাহলে ভাববেন বিষাক্ত কোন ঔষধ গেলা আরম্ভ করছেন। আপনি যদি এরকম কথায় প্রভাবিত হয়ে থাকেন তবে এখনই এ প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসুন। নিজের মত করে আপনার প্রতিষ্ঠানকে চালিয়ে নিয়ে যান। আপনার নিজের কাছে যখন মনে হবে আর চালিয়ে নেয়া সম্ভব না ঠিক তখনই থামেন। অন্যের কথায় কখনো আপনার প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করা যাবে না।

মিতব্যায়ী হোন
কাস্টমার নিয়মিত আসা শুরু করার আগে জাঁকজমক অফিস নির্মানের কোন প্রয়োজন নেই। যদিও বেশিরভাগ উদ্যোক্তাই এ ভুলটা করে থাকে। প্রথমেই সুন্দর ও আকর্ষনীয় অফিস দিয়ে কাস্টমারদের আকর্ষনের চেষ্টা করেন অনেকেই। তবে শুরুতেই এটা করতে যাওয়া এক ধরণের বোকামি। একইভাবে প্রথমেই উচ্চ প্রযুক্তির কম্পিউটার বা সফটওয়্যার এর কোন প্রয়োজন নেই। কারণ এর জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন যা একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আপনার পক্ষে ব্যবস্থা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

উৎসাহ ধরে রাখুন
উৎসাহ ধরে রাখা হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন কাজ। শুরুর দিকে উৎসাহ ধরে রাখা আরও বেশি কঠিন কাজ। শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের হতাশা চলে আসে। ব্যর্থতা মেনে নিতে খুব কষ্ট হয়। সামান্য ব্যর্থ হলেই কাজ বন্ধ করে দেয় অনেকেই। এরকম কখনোই করা যাবে। সাফল্য আসার আগ পর্যন্ত নিজের উৎসাহ উদ্দীপনা ধরে রাখতে হবে।

আপনার টিমের ব্যাপারে সচেতন থাকুন
মনে রাখবেন আপনার টিম আপনাকে সাফল্য এনে দিতে পারে আবার ব্যর্থতাও এনে দিতে পারে। একা একা কখনোই কোন প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো সম্ভব নয়। আপনি যে কোন সফল উদ্যোক্তাকে যদি প্রশ্ন করেন, আপনার সফলতার রহস্য কি? তিনি একবাক্যে উত্তর দিবেন, আমার টিমের কারণে আমি সফল। সুতরাং টিমের দিকে আপনাকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। টিম যদি সর্বোচ্চ ত্যাগ করে আপনার জন্য কাজ করে তবেই আপনি সফল, আর যদি তা না করে তবে আপনি ব্যর্থ।
- See more at: http://finance.priyo.com/node/10148#sthash.GNP49Lzg.dpuf
২০১৩ সাল শেষের দিকে। গত বছর ব্যবসা কেমন হলো ও এ বছর কেমন যাবে তা নিয়ে হয়তো ভাবছেন। আপনি যাই ভাবেন না কেন, ব্যবসাকে সফল করতে হলে কাস্টমারের সাথে আপনাকে খুব ভালোভাবে সম্পর্কিত থাকতে হবে। নতুন বছরে আপনার জন্য অনেক সুবিধা রয়েছে। সুবিধাগুলো কাজে লাগাতে হলে আপনাকে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠানের অনেক কিছু ঢেলে সাজাতে হবে। আগে যে সকল নিয়মকানুন প্রচলিত ছিল তা এখন পুরোপুরি কার্যকর নয়। সুতরাং আপনাকে এসব নিয়মকানুনের বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করতে হবে। পুরাতন এ নিয়মগুলোকে বাদ দিতে হবে অথবা ঘষামাজা করে নতুনভাবে উপস্থাপন করতে হবে। আপনার প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্য ও টিকে থাকার জন্য এ পরিবর্তনগুলো খুবই জরুরি। নিচে পুরাতন সেই নিয়মকানুন গুলো উল্লেখ করা হল এবং কেন এগুলো কার্যকর নয় তাও বর্ণনা করা হল।

নিজের পছন্দকে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা
আপনার ব্যবসার প্রয়োজনে কাস্টমারের রুচির পরিবর্তন করতে চাওয়া এক ধরণের বোকামি। আপনার কাস্টমাররা যা ভালবাসে তার দিকে বেশি গুরুত্ব দিন। কাস্টমারের রুচির পরিবর্তনের চেষ্টা না করে নিজের পণ্যের ধরণ পরিবর্তন করুন। কাস্টমার যে ধরণের পণ্য পছন্দ করে সে ধরণের পণ্য তৈরি করুন।

নতুন কাস্টমার তৈরির পরিবর্তে আগের কাস্টমার ধরে রাখার জন্য সচেষ্ট হোন। আপনার বর্তমান কাস্টমাররা যে ধরণের পণ্যে সন্তুষ্ট সে ধরণের পণ্যই তৈরি করুন। নতুন কাস্টমার ধরার জন্য কখনোই নতুন পণ্যের দিকে গুরুত্ব দেয়া যাবে না। আগের পণ্যকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

কাস্টমারকে শুধু কাস্টমার মনে করা
কাস্টমারকে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান শুধুই কাস্টমার মনে করে। আপনাকে স্মরণ রাখতে হবে কাস্টমাররাও মানুষ। পৃথিবীর সেরা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কাস্টমারদের শুধু কাস্টমার মনে করে না। কাস্টমারকে তারা বন্ধু কিংবা আত্মীয়ের মত মূল্যায়ন করে। কাস্টমারদের সাথে সব সময় যোগাযোগ রাখতে হবে। তারা যে কোন সমস্যায় পড়লে তা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। তবেই কাস্টমারের সাথে আপনার সম্পর্কের উন্নতি হবে। সাথে সাথে আপনার ব্যবসা ও উন্নতির দিকে ধাবিত হবে।

মার্কেটিং এর পেছনে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা
কোম্পানিগুলো মার্কেটিং কেন করে? নিজেদের পণ্য সম্পর্কে কাস্টমারকে জানানোর জন্যই মার্কেটিং করা করা হয়। মার্কেটিং এর পেছনে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করা এক ধরণের বোকামি। মার্কেটিং এর পেছনে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় না করে পণ্য বা সেবার মান বৃদ্ধির বিষয়ে বেশি মনোযোগী হতে হবে। কাস্টমাররা এখন আগের চেয়ে বেশি সচেতন। কাস্টমাররা শুধু বিজ্ঞাপন এর দ্বারা প্রভাবিত হয় না, পণ্যের গুনগত মানের দিকে তারা বেশি গুরুত্ব দেয়। সুতরাং যে কোন প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকার জন্য শুধু মার্কেটিং এর দিকে নজর না দিয়ে পণ্যের মানের দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। - See more at: http://finance.priyo.com/node/9417#sthash.uBrRgZ0I.dpuf
লিডারশিপ খুবই কঠিন কাজ। আবার একই সাথে লিডারশিপ খুবই সহজ কাজ। কথা বলার সময় নেতৃত্ব যার হাতে তাকে খুব সচেতন থাকতে হবে। কিছু নেতৃত্ব মাঝে মাঝে নির্বোধের মত কিছু কথা বলে ফেলেন। এরকম ৩টি বাক্য কথা বলার সময় এড়িয়ে চলতে পারলে লিডারশিপ আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে।

“আমাকে কোন খারাপ খবর দিবেন না”
আপনি যেহেতু বস হিসেবে সবার উপরে অবস্থান করেন সেহেতু আপনি যা ইচ্ছে তা বলার অধিকার রাখেন। আপনার অফিসের কর্মচারীরা আপনার প্রায় প্রতিদিন আপনার কাছে নানা সমস্যা তুলে ধরছে। আপনি হয়তো বিরিক্ত হয়ে একদিন বলেই ফেললেন, আমাকে কখনো কোন খারাপ সংবাদ দিবেন না। এতে করে কি হবে? আপনার অফিসের সব সমস্যা কি সমাধান হয়ে যাবে? অবশ্যই না। সমস্যাগুলো ক্রমশ বাড়তে থাকবে এবং একদিন টাইম বোমা হয়ে আপনার মুখে আঘাত করবে।

আপনি যদি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই সমস্যাগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। আর এতেই প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন আপনার হাতে চলে আসবে। আপনার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরাও প্রশান্তি নিয়ে তাদের কাজ করতে পারবে।

“যদি মানুষ না হয়ে অন্য প্রানী হতেন তবে কোন প্রানী হতে চাইতেন?”
একই ধরণের আরও কিছু প্রশ্ন আছে। যেমন, যৌবনে কোন বই আপনাকে সবচেয়ে প্রভাবিত করেছে? আপনার প্রিয় রঙ কি? পানির আকার কেমন? কর্মচারী নিয়োগের সময় আপনি চাইলে এ প্রশ্নগুলো করতে পারেন। আপনি হয়তো ভাবছেন এ প্রশ্নগুলো দ্বারা তাদের ভিতরে কি আছে তা পরীক্ষা করা যাবে। এবং এর মাধ্যমে সঠিক কর্মচারী বাছাই করে নিবেন।

কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হল, এ প্রশ্নগুলো একদমই অর্থহীন মনস্তাত্ত্বিক সুডো খেলা। যেগুলোর মাধ্যমে কখনোই সঠিক কর্মচারী বাছাই করা সম্ভব নয়। যদি নিজের প্রশান্তির জন্য এ প্রশ্নগুলো করে থাকেন তবে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু কখনোই এসব প্রশ্নের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীর মান বিচার করতে যাবেন না।

“বিষয়টিকে পারসোনালি নিবেন না”
আপনি একজন মানুষ সম্পর্কে কথা বলছেন,তার কাজ সম্পর্কে আলোচনা করছেন, তার জীবন, কর্মক্ষমতা, পছন্দ বিবেচনা নিয়ে কথা বলছেন। আবার একই সাথে তাকে বলছেন যাতে এসব কিছু পারসোনালি না নেয়। একজন মানুষের সম্পর্কে যত আলোচনা হয় সবই তার ব্যক্তিগত। আপনি তাকে ব্যক্তিগত আক্রমন করলেন আবার একই সাথে পারসোনালি না নেয়ার কথা বললেন। এটা এক ধরণের স্ববিরোধিতা। যদি অফিসিয়াল কাজকে আপনি ‘পারসোনাল’ না ভাবেন তবে আপনি ভুলের মধ্যে আছেন। এ ভুল থেকে খুব শীঘ্রই বেরিয়ে আসতে হবে।

- See more at: http://finance.priyo.com/node/9293#sthash.xZMjsBXn.dpuf
নতুন বছরে সবাই জীবনকে পরিবর্তন করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়। কিন্তু কেউই তার প্রতিজ্ঞা ধরে রাখতে পারে না। এর প্রধান কারণ হল জীবন পরিবর্তনের সঠিক উপায় তাদের জানা নেই। জীবনকে পরিবর্তন করতে চাইলে প্রথমত দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তা-চেতনার মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে। কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব? ৭ সপ্তাহে আপনি চাইলে আপনার দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে ব্যপক পরিবর্তন আনতে পারেন। তার জন্য আপনাকে নিচের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করতে হবে।

প্রথম সপ্তাহঃ কৃতজ্ঞতাবোধ
সাতটি জিনিসের নাম লিখুন যেগুলোর প্রতি আপনি কৃতজ্ঞ। তারপর প্রত্যেক দিন কোন না কোন জিনিসের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার চেষ্টা করুন। কৃতজ্ঞতাবোধ আপনার দৃষ্টিভঙ্গিকে পরিবর্তন করে দিবে।

দ্বিতীয় সপ্তাহঃ সাহস
সাতটি জিনিষের নাম লিখুন যেগুলোকে আপনি ভয় পান। প্রত্যেক দিন ভয়কে জয় করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যান। সাত দিনের মধ্যেই আপনার ভয় দূর হয়ে যাবে, আপনি সাহস নিয়ে পথ চলতে পারবেন।

তৃতীয় সপ্তাহঃ অঙ্গীকার
ভয়কে জয় করার ফলে ও কৃতজ্ঞ থাকার অভ্যাস করায় যে ৭ টি গুন আপনার মধ্যে তৈরি হয়েছে তার একটা তালিকা তৈরি করুন। এই গুনগুলোকে নিজের মধ্যে ধারণ করে পথচলার জন্য অঙ্গীকার করুন।

চতুর্থ সপ্তাহঃ বিশ্বস্ততা
বিশ্বস্ত হতে চাইলে কিংবা অন্যের ভাল চাইলে আপনাকে কিছু জিনিস ত্যাগ করতে হবে। এরকম সাতটি জিনিসের নাম লিখুন যেগুলো আপনি ত্যাগ করতে প্রস্তুত। প্রত্যেক দিন একটি করে অভ্যাস ত্যাগ করতে থাকুন। দেখবেন খুব শীঘ্রই আপনি অন্য সবার বিশ্বস্ত হয়ে পড়েছেন।

পঞ্চম সপ্তাহঃ আস্থা
নিজের প্রতি ও অন্যের প্রতি যে সাতটি বিষয়ে আপনি আস্থা রাখতে পারেন তার একটা তালিকা তৈরি করুন। প্রতিদিন এ আস্থাগুলোকে আরো বেশি পাকাপোক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যান।

ষষ্ঠ সপ্তাহঃ বিশ্বাস
নতুন সাতটি বিশ্বাসের নাম লিখুন যেগুলো আপনার মধ্যে ইদানিং তৈরি হয়েছে। বিশ্বাসগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য নিজের সাথে নিজেকে প্রত্যেকদিন যুদ্ধ করতে হবে। সাত দিনের মধ্যে আপনার প্রতিটি বিশ্বাস আপনাকে শক্তিশালী করে তুলবে।

সপ্তম সপ্তাহঃ সম্মান
সাত জন মানুষের নাম লিখুন যাদেরকে আপনি সবচেয়ে বেশি সম্মান করেন। প্রত্যেক দিন তাদের প্রতিটি কাজ অনুসরণ করুন। নিজেকে তাদের মত করে তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। যদি সাত সপ্তাহ এ অনুশীলনগুলো চালিয়ে যেতে পারেন আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি পাল্টে যাবে। আর সাথে সাথে পাল্টে যাবে আপনার জীবন। নতুন বছরে আপনি হয়ে যাবেন নতুন এক মানুষ।

- See more at: http://finance.priyo.com/node/10042#sthash.vdDJYl1a.dpuf
‘ব্যক্তি’ এবং ‘ব্যবসা প্রতিষ্ঠান’ দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন আইনগত সত্ত্বা। ‘ব্যক্তি’ যখন ব্যক্তি হিসেবে ব্যবসা করে তখন তার থাকে এক ধরনের সত্ত্বা। আবার একই ব্যক্তি যখন একটি ‘ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে’ সম্পৃক্ত হয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে তখন তার ভিন্ন আইনগত সত্ত্বা ও অবস্থান তৈরী হয়।

এটাই আইন এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি ব্যবসায়ীক রীতি।

ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে দেশের সকল বিধিবদ্ধ আইন ও রীতিনীতি অনুসরন করা, কোম্পানী সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণ করা, প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিকট কোম্পানীর প্রকৃত ও সত্য তথ্য প্রকাশ করে প্রকৃত আর্থিক অবস্থা অনুধাবন করতে সহায়তা করা ইত্যাদি কর্পোরেট গর্ভনেন্স নীতিমালার অংশ।

কোম্পানী পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদে এক বা একাথিক স্বাধীন পরিচালক প্রতিনিধির অংশগ্রহন নিশ্চিত করা এ নীতিমালার অংশ। নিয়মিত বোর্ড সভা ও বার্ষিক সাধারন সভা আয়োজন, কোম্পানীর বোর্ড ও সাধারন পরিষদের সভাকে এর সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্র বিন্দু বানানোর বিষয়ে এই নীতিমালা সহায়তা করে।

সকল পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কোম্পানী পরিচালনার ক্ষেত্রে মালিক পক্ষের একক ও খামখেয়ালীপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ন্ত্রিত করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

আমাদের দেশে প্রায় ৭০ হাজারের বেশী প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী গঠিত ও পরিচালিত হলেও সেসকল প্রতিষ্ঠানসমূহে গড়ে উঠেনি বিশ্বমানের কর্পোরেট কালচার। পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানী হয়েও কখনো কখনো এসকল কোম্পানীর বোর্ড/পরিচালনা পর্ষদ প্রাইভেট বা ব্যক্তিগত কোম্পানীর বা একক মালিকানা প্রতিষ্ঠানের মত আচরণ করে।

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীসমূহ মালিকের একক ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় পরিচালিত হলেও ষ্টক মার্কেটে শেয়ার ইস্যূ করে লক্ষ-লক্ষ শেয়ারহোল্ডোরের নিকট থেকে সংগৃহীত টাকায় পরিচালিত পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানীসমূহেও যথাযথ কর্পোরেট কালচারের অভাব রয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা।

ফলে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের টাকায় ব্যবসা পরিচালনা করলেও তাদের প্রতি যে দায়িত্ব পালন করার কথা তা মালিকপক্ষ পালন করেনা। ফলে বিনিয়োগকারীরা প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে। কখনো কখনো বঞ্চিত হচ্ছে টাকা লগ্নিকারী ব্যাংকও।

এ সমস্যা থেকে পরিত্রানের উপায় হচ্ছে- কর্পোরেট গর্ভনেন্স নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরন করা। এর ফলে ব্যক্তি ও কোম্পানী যথাযথভাবে স্ব-স্ব দায়িত্ব পালন করতে পারবে এবং বিনিয়োগকারীর স্বার্থও সংরক্ষিত হবে। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানীসমূহ প্রতি অর্থ বছরে কর্পোরেট গর্ভনেন্স নীতিমালা কিভাবে অনুুসরন করেছে তা বছরান্তে প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করবে যাতে শেয়ারহোল্ডার ও সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহ তা পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করতে পারে।

কিন্তু খুবই দুঃখজনক হলেও সত্য যে, দেশের অনেক পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানী রয়েছে যাদের ষ্টক মার্কেটে লক্ষ লক্ষ বিনিয়োগকারী থাকলেও এগুলো এখনো পরিচালিত হচ্ছে ব্যক্তি মালিকানাধীন মুদি দোকানের মত।

সেখানে নেই কোন কর্পোরেট কালচার, নেই কোন কর্পোরেট ষ্ট্রাকচার। মালিক যা বলেন তাই হয়। অনেক বিধিবদ্ধ পদে নেই জনবলও। মালিকের ইচ্ছেয় একই ব্যক্তিকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বশীল হিসাবে কর্তৃপক্ষকে দেখানো হয়।

কখনো কখনো কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয় নিজের সন্তান বা আত্মীয় স্বজনকেই। কর্মকর্তাদের কারোরই থাকেনা স্বাধীন মতামত প্রকাশের স্বাধীনতাও। উপরন্তু স্বাধীন মত প্রকাশের দুঃসাহস দেখালে চাকরী খোয়াতে হয়।

এ সকল কোম্পানীর পরিচালনা পর্ষদের অবস্থা আরো শোচনীয়। একই পরিবারের স্বামী,স্ত্রী, সন্তান বোর্ডের সদস্য। নিরপেক্ষ পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয় নিজের পছন্দমত, তিনিও মালিকের কথায় থাকেন নীরব, নিশ্চুপ। এদের নিয়মিত বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়না। মালিক একক সিদ্ধান্তে কোম্পানী পরিচালনা করে থাকেন।

যদি বোর্ডসভার কার্যবিবরণীর প্রয়োজন হয় তবে কার্যবিবরনী প্রস্তুত করে সকলের নিকট পাঠিয়ে স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়। কোন কোন পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানীর মালিক, চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সারাবছর সপরিবারে বিদেশে অবস্থান করেন। দেশে নিয়োগ দেয়া কয়েকজন কর্মকর্তা পুরো বিষয়টিকে সামলান।

বোর্ড সভাতো বাদই দিলাম, এসকল কোম্পানী বার্ষিক সাধারন সভারও আয়োজন করেনা। বার্ষিক হিসাব বিবরণী তৈরী করে ইচ্ছেমত। কোন বছর লাভ দেখান তো, কোন বছর লোকসান।

সামান্য কিছু সংখ্যক বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করে বিতরণ করেন, কিন্তু কমিশনকে রিপোর্ট দেয় সকল শেয়ারহোল্ডারকেই পাঠানো হয়েছে -ইত্যাদি। কমিশন বা ষ্টক এক্সচেঞ্জ প্রতি বছর তাদেরকে আর্থিক জরিমানা করে আর এর মালিকরা ৫-১০ লক্ষ টাকা জরিমানা দিয়ে পার পেয়ে যায়। এভাবেই চলছে বছরের পর বছর।

এসকল কোম্পানীর ষ্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভূক্তিও বাতিল হয়না। কমিশন কোন পদক্ষেপ নিলে এরা দ্বারস্থ হয় মাননীয় আদালতের, স্থগিতাদেশ নেয় ও সময় অতিবাহিত করে। দেশের একাধিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা মিলেই যেহেতু এদের সাথে পেরে উঠেনা, সেহেতু এদের দ্বারা কোম্পানীর লক্ষ লক্ষ শেয়ারহোল্ডারের স্বার্থ কতটা সংরক্ষিত হয় তা সহজেই অনুমেয়।

তবে এটা আশার কথা এই যে, নিয়ন্ত্রক সংস্থাসমূহের সার্বক্ষণিক জোরালো মনিটরিং ও নিয়ন্ত্রনের কারনে দেশের ব্যাংকসমূহ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ও গুটিকতক বহুজাতিক কোম্পানী কর্পোরেট গর্ভনেন্স এর নীতিমালা অনুসরণ করছে।

ধাপে ধাপে অন্যান্য খাতের প্রতিষ্ঠানসমূহ এই নীতিমালার আওতায় আসবে বলে সকলে বিশ্বাস করে।

দেশের ব্যবসা বাণিজ্যে কর্পোরেট সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ষ্টক মার্কেটের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংক্ষেপে ‘কমিশন’) গত ০৭ আগষ্ট, ২০১২ইং তারিখে নোটিফিকেশন No. SEC/CMRRCD/2006-158/134/Admin/44-এর ইস্যূর মাধ্যমে কর্পোরেট গভর্নেন্স নীতিমালা বিষয়ক ইতিপূর্বেকার গত ২০-০৬-২০০৬ইং তারিখে ইস্যূকৃত নোটিফিকেশন বাতিল করে সংশোধিত গাইডলাইন প্রকাশ করেছে।

ঢাকা ষ্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ ও চট্টগ্রাম ষ্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ -উভয় ষ্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভূক্ত (পাবলিকলি ট্রেডেড) সকল কোম্পানীসমূহকে এই গাইডলাইন/নীতিমালা অনুসরন করতে হবে।

উক্ত কর্পোরেট গর্ভনেন্স গাইডলাইন অনুযায়ী পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানীসমূহকে তাদের ব্যবসায়ীক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য নি¤œলিখিত নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। যথা- কোম্পানীর পরিচালনা পষর্দের (বোর্ড) আকার প্রতিটি পাবলিককি ট্রেডেড কোম্পানীর বোর্ডের পরিচালক সংখ্যা হবে সর্বনিম্ন ৫(পাঁচ)জন এবং সর্বোচ্চ ২০(বিশ) জন।

তবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইন্সুরেন্স কোম্পানী বা বিশেষায়িত খাতের কোম্পানীসমূহকে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার আইন মেনে পরিচালনা পর্ষদের আকার নির্ধারণ করতে হবে। স্বাধীন (ইনডিপেন্ডেন্ট) পরিচালক নিয়োগ প্রদানপ্রতিটি পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানীসমূহকে এক বা একাধিক স্বাধীন পরিচালক নিয়োগ প্রদান করতে হবে।

উক্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে নীচের নীতিগুলেঅ অনুসরন করতে হবে-

ক. কোম্পানীর পরিচালনা পর্ষদে কমপক্ষে ২০%(এক পঞ্চমাংশ) স্বাধীন পরিচালক নিয়োগ দিতে হবে ;

খ. স্বাধীন পরিচালক বলতে এমন পরিচালককে বোঝাবে যিনি কোন শেয়ারের মালিক নয় অথবা কোম্পানীর ১% এর কম শেয়ারের মালিক হবেন ;

গ. স্বাধীন পরিচালকবৃন্দ কোম্পানীর ষ্পন্সর শেয়ারহোল্ডার হবেন না এবং পরিবারভূক্ত কেউ যিনি ১% বা বেশী শেয়ার ধারন করে এমন পরিচালকদের সাথেও সম্পৃক্ত হবেন না ;

ঘ. কোম্পানীর সাথে নিরপেক্ষ পরিচালকদের অন্য কোন কোনরূপ সম্পৃক্ততা থাকবে না ;

ঙ. যিনি কোন ষ্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য, পরিচালক বা কর্মকর্তা নয়

চ. যিনি ষ্টক এক্সচেঞ্জের বা ক্যাপিটাল মার্কেটের কোন সদস্যের কোম্পানীর শেয়ারহোল্ডার, পরিচালক বা কর্মকর্তা নয়

ছ. যিনি কোম্পানীর বিগত ৩ বছরের বিধিবদ্ধ অডিটর ফার্মের অংশীদার বা কর্মকর্তা ছিলেন না

জ. যিনি ৩(তিন)টির বেশী তালিকাভূক্ত কোম্পানীর নিরপেক্ষ পরিচালক হবেন না

ঝ. যিনি ঋণ খেলাপীর কারনে আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত/সাজা প্রাপ্ত নন

ঞ. যিনি আদালত কর্তৃক অন্য কোন অপরাধে শাষিÍপ্রাপ্ত নন

ট. কোম্পানীর সাধারন সভার অনুমোদনক্রমে বোর্ড এ ধরনের পরিচালক নিয়োগ দিবে

ঠ. স্বাধীন পরিচালকের পদ ৯০(নব্বই) দিনের বেশী শূণ্য থাকবেনা

ড. বোর্ড এ বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রস্তুত করবে এবং বছরে তার কি কি অনুসরন করা হয়েছে তার রেকর্ড রাখবে

ঢ. স্বাধীন পরিচালকের মেয়াদকাল হবে ৩(তিন) বছর এবং একজনকে সর্বোচ্চ ২(দুই) মেয়াদের বেশী নিয়োগ দেয়া যাবে না -ইত্যাদি।

স্বাধীন পরিচালকের যোগ্যতা স্বাধীন পরিচালককে ব্যবসা সম্পর্কিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হবে। অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী নেতা, ব্যুরোক্র্যাট, অর্থনীতি আইন বা ব্যবসায় প্রশাসনের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, সি.এ., চার্টার্ড সেক্রেটারীজ বা কষ্ট ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট পেশার যে কাউকে নিয়োগ দেয়া যেতে পারে, যার স্ব-স্ব ক্ষেত্রে/কর্পোরেট প্রশাসনে কমপক্ষে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

তবে কমিশনের সুপারিশে বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন যে কাউকে নিয়োগ দেয়া যাবে। একই ব্যক্তি চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হতে পারবে নাপাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানী একই ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ দিতে পারবে না।

বোর্ড সদস্যদের মধ্য হতে একজনকে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হবে এবং বোর্ড তার কাজের পরিধি ও দায়িত্ব-কর্তব্য সুষ্পষ্টভাবে নির্ধারন করে দেবে।

কোম্পানী তার পরিচালকদের মধ্য হতে অন্য একজনকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ দিতে পারেন বা বাইরের কাউকে এই পদে নিয়োগ দিতে পারেন। তবে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বীমা কোম্পানী স্ব-স্ব আইন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধিমালা অনুযায়ী উক্ত পদে নিয়োগ দিতে পারেন।

পরিচালকের রিপোর্ট কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর ১৮৪ ধারা অনুযায়ী প্রতিটি পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানী প্রতি বছরান্তে কোম্পানীর সার্বিক অবস্থা উল্লেখপূর্বক একটি ‘পরিচালক রিপোর্ট ’ প্রস্তুত করে বার্ষিক রির্পোটের সাথে শেয়ারহোল্ডারদের নিকট প্রেরণ করবে। কোম্পানীর আয়-ব্যয়, উন্নয়ন, পণ্য ভিত্তিক বিশ্লেষণ, ঝুকি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি এ রিপোর্টে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করতে হবে।

প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা, আভ্যন্তরীন নিরীক্ষার প্রধান ও কোম্পানী সেক্রেটারী নিয়োগপ্রতিটি পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানী একজন করে প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা, আভ্যন্তরীন নিরীক্ষা প্রধান ও কোম্পানী সেক্রেটারী নিয়োগ দিবেন এবং বোর্ড তাদের কাজের পরিধি ও দায়-দায়িত্ব বিস্তারিতভাবে নির্ধারন করে দিবেন।

প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা ও কোম্পানী সেক্রেটারী বোর্ড সভায় উপস্থিত থাকবেনপাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানী কর্তক নিয়োগকৃত প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা ও কোম্পানী সেক্রেটারী কোম্পানীর বোর্ড সভাসমূহে উপস্থিত থাকবেন তবে তাদের ব্যক্তিগত বিষয়ে আলোচনা হতে পারে এমন সভায়/সভার অংশে তারা উপস্থিত না থাকলেও চলবে।

অডিট কমিটি গঠন ও দায়িত্ব পালনপ্রতিটি পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানীতে পরিচালনা পর্ষদের (বোর্ড) সাব-কমিটি হিসাবে একটি অডিট কমিটি কাজ করবে। কোম্পানীর আর্থিক প্রতিবেদন যাতে কোম্পানীর সঠিক চিত্র তুলে ধরে এ লক্ষ্যে অডিট কমিটি বোর্ডকে সহায়তা করবে। এই কমিটি বোর্ডের নিকট দায়বদ্ধ থাকবে এবং এর কাজের আওতা ও দায়িত্ব সুনির্দিষ্টভাবে লিখিত থাকবে।

কমপক্ষে ৩(তিন) জন সদস্যের সমন্বয়ে অডিট কমিটি গঠিত হবে। একাধিক পরিচালক এবং কমপক্ষে ১জন স্বাধীন পরিচালক নিয়ে বোর্ড এই কমিটি গঠণ করবেন। কমিটির সদ্যবৃন্দ কোম্পানীর আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে পারদর্শী হতে হবে এবং কমিটির কমপক্ষে একজন সদস্যকে হিসাব/ফিন্যান্স ব্যবস্থাপনায় পারদর্শী/অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হবে।

কোম্পানী সেক্রেটারী উক্ত কমিটির সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। উক্ত কমিটির সভার কোরাম পূর্ণ হতে হলে কমপক্ষে একজন স্বাধীন পরিচালকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

বোর্ড, স্বাধীন পরিচালকদের মধ্য হতে একজনকে উক্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে নির্ধারন করবেন। এই কমিমিটর চেয়ারম্যান কোম্পানীর সাধারন সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন। বহিঃ নিরীক্ষককে আভ্যন্তরীন কাজে নিয়োগ না করাকোম্পানী আইনের ধারা অনুযায়ী যে বহিঃ নিরীক্ষককে কোম্পানীর হিসাব প্রতিবেদন নিরীক্ষার জন্য নিয়োগ দেয়া হবে তাকে এর আভ্যন্তরীন সম্পদ মূল্যায়ন, ব্রোকার-ডিলার সেবা প্রদান, এ্যাকচুয়ারী সেবা প্রদান, আর্থিক কাঠামো উন্নয়ন, হিসাব সংরক্ষণ, আভ্যন্তরীন নিরীক্ষা কাজ তদারকী ইত্যাদি কাজে নিয়োগ প্রদান করা যাবেনা ।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তার দায়িত্ব-কর্তব্য পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা বোর্ডকে নিশ্চিত করবে যে, তারা কোম্পানীর বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করেছে এবং তাদের বিশ্বাস ও জানামতে উক্ত প্রতিবেদনে কোন মিথ্যা তথ্য দেয়া হয়নি, বড় ধনের কোন সত্য ঘটনা বাদ দেয়া হয়নি, এসকল প্রতিবেদন কোম্পানীর প্রকৃত তথ্যকে চিত্রায়িত করছে ইত্যাদি।

রিপোর্টিং ও কর্পোরেট গর্ভনেন্স রীতি নীতি অনুসরনকোম্পানীসমূহ, সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ইস্যূকৃত কর্পোরেট গর্ভনেন্স নীতিমালার শর্তাবলী কিভাবে বা কতটুকু অনুসরণ করছে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রতি বছরান্তে, প্রতিটি পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানীকে এ বিষয়ে চার্টার্ড একাউন্টেন্ট বা চার্টার্ড সেক্রেটারীজ বা কষ্ট ম্যনেজমেন্ট একাউন্টেন্টদের নিকট থেকে একটি ‘কমপ্ল্যায়েন্স সার্টিফিকেট’ গ্রহণ করতে হবে।

এই সার্টিফিকেটের কপি কোম্পানীর বার্ষিক প্রতিবেদনের অংশ হিসাবে প্রতিটি শেয়ারহোল্ডারদের নিকট প্রেরণ করতে হবে। পাশাপাশি কমিশনের নির্ধারিত ফরমেটে পরিচালকবৃন্দ বার্ষিক প্রতিবেদনের সাথে কর্পোরেট গর্ভনেন্সের শর্তাবলী অনুসরণ করার বিস্তারিত বিবরণ/রিপোর্ট শেয়ারহোল্ডারদেরকে প্রেরণ করবেন।

বিগত বছরে কোম্পানীর কতগুলো বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, বোর্ড সভায় পরিচালকদের উপস্থিতি ও ভূমিকার বিবরণ, অডিট কমিটিসহ বিভিন্ন সাব-কমিটির কাজের বিস্তারিত বিবরণ, পরিচালকদের স্বার্থ ও নৈতিকতা সংশ্লিষ্ট তথ্যাদির বিবরণ ইত্যাদি।

সিঙ্গাপুর, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের কর্পোরেট কালচারের চিত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, তারা কর্পোরেট গর্ভনেন্স গাইডলাইন বেশ কয়েক দশক ধরেই যথাযথভাবে অনুসরণ করছে এবং তাদের নিয়ন্ত্রক সংস্থাও এ বিষয়ে খুবই ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে।

ফলে এ সকল দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুব দ্রুত ক্রেতার আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয় এবং দ্রুত ব্যবসা সম্প্রসারণও সম্ভব হয়।

তাদের কোম্পানীগুলো এ কারণে দ্রুত দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আর্ন্তজাতিক বিশ্বে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়।

দেশের স্টক মার্কেটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানসমূহে কর্পোরেট সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কর্পোরেট গর্ভনেন্স নীতিমালা অনুসরণ করা একান্ত জরুরী। এর প্রয়োগ যত বাড়বে দেশের প্রতিষ্ঠানসমূহ তত বেশী সমৃদ্ধ হবে এবং তা বিনিয়োগকারীসহ সকল পক্ষসমূহের স্বার্থ সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

এ বিষয়ে উদ্যোক্তাদের ইতিবাচক মনোভাব ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে কমিশনের নিয়মিত তদারকী ও গঠণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ সুফল এনে দিতে সক্ষম হবে বলে সকলে প্রত্যাশা করেন।
=> বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ছোট লঙ্কার ঝাল বেশি ব্যাপারটা তেমনি। ব্যবসা ছোট হলেই যে, ঝুঁকি কম-ব্যাপারটা আসলে তেমন না। যেকোন পরিসরের ব্যবসাতেই, প্রাথমিক ভাবে প্রত্যেক উদ্যোক্তাই বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হন। কিভাবে শুরু করবে, ভবিষ্যৎ কেমন হবে, কোন কাজগুলো ব্যবসার জন্য ভাল হবে ইত্যাদি। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, আপনার ব্যবসা যদি ছোট হয় তবে আপনার চ্যালেঞ্জটা অন্যদের তুলনায় একটু বেশি।

আপনার যা আছে গ্রাহককে তাই দেওয়ার চেষ্টা করুন:
 আপনার যা আছে তার বেশি কখনো গল্প করা উচিত নয়। এতে গ্রাহকেরা আপনার প্রতি যে চাওয়া তৈরি হবে তা পরবর্তিতে পূরণে ব্যর্থ হলে বিষয়টা অন্য রকম দেখাবে। দৃষ্টিভঙ্গিতে একজন অল্প মানের ব্যবসায়ীর ভাব বজায় রাখার চেষ্টা করুন। তাই বলে যে আপনি অনেক ছোট তা কখনো ভাববেন না। খুব সাধারণভাবে নিয়মিত পেপার ওয়ার্ক, আইডিয়া, কাজের গতি বাড়িয়ে নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করতে হবে।

বিশ্বাস অর্জন আপনার চ্যালেঞ্জ:
 গ্রাহকের বিশ্বাস অর্জন করা খুব সহজ কাজ নয়। অথচ ছোট পরিসরের ব্যবসার জন্য এই অর্জনটাই আপনাকে করতে হবে সবার আগে। প্রত্যেক কোম্পানির ব্যবস্থাপনা বা অন্যান্য পলিসি আলাদা হতে পারে কিন্তু গ্রাহককে বিশ্বস্ত করাই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কারণ দীর্ঘমেয়াদে নতুন গ্রাহক তৈরি করা এবং গ্রাহক ধরে রাখার উপর মূলত ব্যবসায়ের ভবিষৎ নির্ভর করে। আর আপনি যেহেতু স্বল্প পরিসরে শুরু করছেন সেক্ষেত্রে প্রতিটি গ্রাহকই আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কিছু সম্পদ আছে দৃশ্যমান নয় তবে তা অর্জন করতে তেমন মূলধনেরও প্রয়োজন হয় না, একজন অল্প মানের ব্যবসায়ীর উচিত সেই সম্পদ অর্থাৎ বিশ্বস্ততা, গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করা।

প্রতিষ্ঠানে প্রচুর সময় দিন:
 প্রতিষ্ঠানের ভিতর কর্মীদের মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। অফিসে অধিক সময় দেওয়ার চেষ্টা করুন। সহকর্মীদের ভেতর সম্প্রীতি গড়ে তোলা, গ্রাহক তার প্রয়োজন এবং অভিযোগের বিষয়টি যেন কোম্পানির সবোর্চ্চ কর্মকর্তাকে বলতে পারে সে সুযোগ তৈরি করা, সমজাতীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা প্রভৃতি বিষয়গুলো নিশ্চিত করুন। মনে রাখতে হবে, বর্তমান সময়ে ব্যবসায়ে তারাই বেশী এগিয়ে যাদের তথ্য ভান্ডার বেশী সমৃদ্ধ। এ জন্য প্রতিষ্ঠানে অবাধ যোগাযোগের কর্মক্ষেত্র তৈরি হলে সমসাময়িক তথ্যের সাথে প্রতিষ্ঠান পরিচিত থাকবে এবং প্রতিযোগিতার বাজারে এগিয়ে থাকবে। দেখবেন আপনার ব্যবসাটি আর ছোট নেই। একদিন খুব বড় হয়ে গেছে।

কোম্পানির একটা নিজস্ব সংস্কৃতি আছে তা ধরে রাখুন: 
 আপনার ব্যবসা ছোট বলে অফিসে কোম্পানি গন্ধ থাকবেনা তা নয়। সবসময় কাজের পাশাপাশি একটা সদ্যজাত কোম্পানির উচিত ‘কোম্পানি কালচার’ গড়ে তোলা। যদি কোন কোম্পানি চিন্তা করে যে তারা গ্রাহককে সর্বোচ্চ সুবিধা দেবে পাশাপাশি কোম্পানিকে আগে তার কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। মাঝে মাঝে কোম্পানি তার নিজস্ব কালচার অনুযায়ী অফিস কর্মকান্ডের বাহিরে কর্মকর্তা, কর্মচারী, গ্রাহকদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারে। এতে গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ বাড়বে।

- See more at: http://finance.priyo.com/node/738#sthash.HrzenGMF.dpuf
সকল উদ্যোক্তাই সফল হতে পারেন না। আবার যারা সফল হন তাঁরাও যে খুব সহজে সফল হয়েছেন- তা নয়। অনেক পরিশ্রম আর মেধার সমন্বয়ে উদ্যোক্তা তার সফলতার পথ খুঁজে নেন। সফল হওয়ার সড়কে নেমে অনেকেই পিছনে পরে যান। অন্য একজন যখন সফলতার সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছেন তখন কেন কিছু উদ্যোক্তা সফলতার পথে এগুতে পারছেন না? এর রয়েছে কিছু কারন।

লিখিত পরিকল্পনা না থাকা: 
আপনি আসলে কোথায় পৌঁছতে চান তার একটি লিখিত পরিকল্পনা থাকতে হবে। অনেকেই মনে মনে করেন ব্যবসা তো শুরু করেছি দেখি কি হয়। এমন উদাসীন থাকলে উদ্যোক্তা সফল হতে পারে না। একজন উদ্যোক্তা কি করতে চান, কিভাবে করতে চান, কত সময়ের মধ্যে করতে চান, কোথায় পৌঁছতে চান- এই সমস্ত বিষয়গুলো লিখিত আকারে থাকলে পথ খুঁজে নেওয়া সহজ হয়।

সঠিক ব্যবসা মডেল না থাকা: 
একজন নতুন উদ্যোক্তা অবশ্যই পুরাতনের তুলনায় কম জানেন। তাকে নানান বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে শিখতে হয়। এ ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ কোন সফল উদ্যোক্তাকে অনুসরণ করতে পারেন বা বিশেষ কোন সফল প্রতিষ্ঠানকে তার মডেল হিসেবে বিবেচনা করে এগিয়ে যেতে পারেন। উদ্যোক্তা যে বিজনেস মডেলটি অনুসরণ করছেন তা অনুসরণ করে অন্যরা সফল হয়েছেন কি না তা খতিয়ে দেখুন।

আইডিয়া নয়, দরকার সুযোগ সৃষ্টি: 
বিভিন্ন ব্যবসায়িক সুযোগ সুবিধা তৈরী না হওয়ার কারনে অনেক উদ্যোক্তাই ঝরে পড়েন। দেখা যায় ভালো আইডিয়া কিংবা ভালো পণ্য থাকা সত্ত্বেও অনেক ব্যবসায়ী সফল হতে পারছেন না। ব্যবসায়ে সুযোগ তৈরি হওয়ার একটা ব্যাপার আছে আবার সুযোগ তৈরি করারও একটা ব্যাপার আছে। একজন ভালো উদ্যোক্তা জানেন কিভাবে ব্যবসার সুযোগ তৈরী করে নিতে হবে।

পরিচালনায় ব্যথর্তা: 
পরিচালনায় অপটুতা উদ্যোক্তার ব্যর্থতার কারন হতে পারে। ব্যবসায়িক মনোভাব এবং ব্যবসায়ে পরিপক্বতা অর্জন খুব জরুরী বিষয়। অনেকেরই প্রচুর বিনিয়োগ করার সামর্থ্য আছে কিন্তু তা সঠিকভাবে পরিচালনা করার সামর্থ্য নেই।

তীব্র প্রতিযোগিতা: 
ব্যবসার জগতে ধাবমান আরো অনেক উদ্যোক্তার সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে হয়। আর বর্তমান সময়ে এই প্রতিযোগিতা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। সে ক্ষেত্রে একজন নতুন উদ্যোক্তাকে প্রথমেই এসে হিমসিম খেতে হয়। এ জন্য মার্কেটিংয়ের আগে একজন উদ্যোক্তার মার্কেটপ্লেস সর্ম্পকে সম্যক ধারণা নিয়ে নিজস্ব মার্কেটিং পলিসি নির্ধারণ করে এগিয়ে যাওয়া উচিত। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার মনোবল না থাকাও উদ্যোক্তার অসফলতার কারন।

কৌশলী দৃষ্টিভঙ্গির অভাব:
 ব্যবসায়ে অনেক কৌশল অবলম্বন করতে হয়। একটি মাত্র সিদ্ধান্তই একটি ব্যবসাকে সর্বোচ্চ সফলতায় নিয়ে যেতে পারে আবার ব্যর্থতায় তলিয়ে করতে পারে। সে ক্ষেত্রে উদ্যোক্তার ব্যবসায়ে কৌশলী হওয়ার বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কৌশলী দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলে ব্যবসার উন্নতি সম্ভব না।

দরকার স্বপ্নবাজ সহকর্মী: 
উদ্যোক্তার সহকর্মীরা হবেন উদ্যোক্তার মতই স্বপ্নবাজ। আর এজন্যই ব্যবসায়ে সহকর্মী নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অভিজ্ঞ, পরিশ্রমী, সৎ সহযোগি নির্বাচন না করলে ব্যবসা স্থিমিত হয়ে পড়ে। শুধুমাত্র চাকুরীজীবী দিয়ে উদ্যোগ সফল হয় না।

যথেষ্ঠ মার্কেটিং জ্ঞান না থাকা: 
সম্ভাব্য গ্রাহক কারা-বিষয়টি বুঝতে হবে। উদ্যোক্তার যথেষ্ঠ মার্কেটিং জ্ঞান না থাকলে মার্কেট গবেষণা সম্ভব নয়। বর্তমান বাজারে মার্কেট গবেষণা না করে, সিদ্ধান্ত নিলে অনেক সময় তা সফল হয়না।

ধৈর্যচ্যুত হওয়া: 
হোঁচট খেলেই থামতে হবে- তা নয়। উদ্যোক্তা মাত্রই সে উদ্যমী এবং প্রথম অবস্থায় তাকে নানান অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে। কিন্তু দেখা যায় অনেকেই প্রাথমিক ভাবে কোন হোঁচট খাওয়ার পর মনোবল হারিয়ে ব্যবসায়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। অথচ এই হোঁচটই তার জন্য ছিল শিক্ষণীয়। ধৈর্য সহকারে প্রতিটি ব্যর্থতাকে কাটিয়ে সাফল্যের পথে হাঁটাই একজন প্রকৃত উদ্যোক্তার পরিচয়।

উদ্যোম হারিয়ে ফেলা:
 অনেকেই শুরু করেন আট ঘাট বেঁধে। কিন্তু মাঝ পথে গিয়ে আর এই উদ্যোম থাকেনা। মোটামুটি একধরনের উদাসীন হয়ে যান। আর উদ্যোম হারিয়ে ফেললে সফলতা আর আপনার হাতে ধরা দেবেনা।

- See more at: http://finance.priyo.com/node/794#sthash.BCGQOKH2.dpuf
কী ব্যবসা করবেন তা ঠিক করে হুট করে ব্যবসায় নামলেন আর তরতর করে এগিয়ে চললেন- তা নয়। কোন ধরণের ব্যবসা করবেন সে পরিকল্পনা তো নেওয়াই হয়েছে। তবে যখন ব্যবসা শুরু করবেন তখনই আসল পরিকল্পনা নেওয়ার পালা। অনেক পরিকল্পনার সমন্বয়ে একটি ব্যবসার পরিকল্পনা সফল হয়ে ওঠে। বলা যায় একাধিক পরিকল্পনাই একটি সম্পুর্ণ ব্যবসায় প্লান।

প্রাথমিক ভাবনা:
একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনার ওপরই নির্ভর করে ব্যবসার সফলতা। একটি সম্পূর্ণ নতুন কোম্পানির জন্য বিজনেস প্লান খুব শক্ত হয়। যেমন প্রাথমিক অবস্থায় কি রকম কোম্পানি, তার পণ্য বা সেবা কি হবে, মার্কেটিং কিভাবে হবে, অর্থনৈতিক বিষয়গুলো কিভাবে সমন্বয় হবে। এই সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনার বিষয়টি সুনির্দিষ্ট হলে একটা আদর্শ ব্যবসা পরিকল্পনা তৈরি করা সহজ হয়ে যায়।

অভ্যান্তরীণ পরিকল্পনা:
ব্যবাসার বাজেট, নির্বাহী বোর্ড, বেতন কাঠামো, ইত্যাদি ব্যবসায়ের অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত। তৃতীয় পক্ষের কোন কিছুই এই পরিকল্পনার ভিতর আসবেনা।

কার্যকরী পরিকল্পনা:
কার্যকরী পরিকল্পনাকে একক রকম অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনা বলা যেতে পারে। এটাকে আরো সুনির্দিষ্ট ভাবে বলতে গেলে বলা যায় একটি ব্যবসার ধারণা কীভাবে প্রয়োগ করা হবে, কিকি ডাটা নিয়ে প্লান তৈরি করা হবে বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে হবে। ব্যবস্থাপকের দায়বদ্ধতার বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয় এই কার্যকরী পরিকল্পনায়।

পরিসংখ্যানগত পরিকল্পনা:
পরিসংখ্যানগত প্লানকেও এক রকম অভ্যান্তরীণ পরিকল্পনা বলা যেতে পারে। কিন্তু এটি সমস্ত বিষয়টিকে আরো বিশদভাবে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা তারিখের মাধ্যমে প্রকাশ করে। এটি কোম্পানির ব্যবস্থাপক টিমের বিষয় বর্ণনা করে না বরং অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে নির্দিষ্ট সময় সীমার আওতায় এনে কোম্পানির বর্তমান ও সামনের গতিপথের ক্যালেন্ডার রচনা করে। এক কথায় সংখ্যার ধারণায় কবে কখন কিভাবে কোন কাজ করা হবে তার পরিকল্পনা করা হয়।

উন্নয়ন পরিকল্পনা বা নিউ প্রোডাক্ট প্লান:
বিজনেসের কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয়কে আলাদা করে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এটি অভ্যন্তরীন পরিকল্পনা হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। এই পরিকল্পনা সাধারণত লোন এ্যাপ্লিকেশন এবং নতুন ইনভেস্টমেন্টের উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ আপনার বর্তমান বিজনেসকে আরো বিস্তৃত পর্যায়ে পৌঁছাতে যে পরিকল্পনা তাই এক্সপানসন প্লান বা উন্নয়ন পরিকল্পনা।

সম্ভাব্য প্লান:
সম্ভাব্য প্লান সাধারণ প্রাথমকি পরিকল্পনার মতোই। সম্ভাব্য প্লানে একটি কোম্পানির সারাংশ, মিশন এস্টেটমেন্ট, কী টু সাকসেস, বেসিক মার্কেটিং এনালাইসিস, প্রাথমিক কস্ট এনালাইসিস, প্রাইসিং, সম্ভাব্য খরচ প্রভৃতির সন্নিবেশ থাকে। এই ধরনের প্লান সিদ্ধান্ত পৌঁছতে সাহায্য করে।

বিপণন পরিকল্পনা:
এই অংশে থাকবে কীভাবে আপনি আপনার উৎপাদিত পণ্য বা সেবা গ্রাহকদের মাঝে পৌঁছে দিতে চান। ক্রেতার কাছে কীভাবে পণ্য পৌঁছাবে অর্থাৎ সরাসরি, পরিবেশক, নাকি পুনর্বিক্রেতার মাধ্যমে, তা এই অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ক্রেতার চাহিদা, তা কীভাবে পূরণ করা হবে, কীভাবে পণ্য তাঁদের মধ্যে জনপ্রিয় করা যায়, পণ্যের দামের বিষয়ে ক্রেতারা কতটুকু সচেতন-এসব বিষয়ও থাকবে বিপণন পরিকল্পনায়। সব মিলিয়ে একটি ভাল কৌশল অবলম্বনই হবে একটি পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।

- See more at: http://finance.priyo.com/node/718#sthash.wEj12d02.dpuf
বিনোদন আমাদের প্রত্যেকের জীবনেরই একটি অপরিহার্য অংশ। তবে নানা রকম বিনোদন মাধ্যমের পেছনে আমাদের মাসিক আয়ের বেশ বড় একটি অংশই ব্যয় হয়ে যায়। একটূ চেষ্টা করলেই আপনি আপনার পচ্ছন্দের বিনোদন ক্ষেত্রের খরচ কমিয়ে আনতে পারেন।

যদি সিনেমা দেখতে ভালবাসেনঃ
এক্ষেত্রে আপনি রাত অথবা সান্ধ্যকালীন শো দেখতে না গিয়ে দুপুরের ম্যাটিনি শো দেখতে পারেন। কারণ ম্যটিনি শো এর টিকিট তুলনামূলকভাবে সস্তা। বর্তমান কোন মুভি চলছে এবং দাম সম্বন্ধে জানতে স্টার সিনেপ্লেক্স এর ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। মুভি থিয়েটারে ঢোকার আগে দুপুরের খাবার সেরে নিন। যাতে করে শো চলাকালিন সময়ে পপকর্ন বা সোডা এড়িয়ে চলতে পারেন। যদি সিনেমা হলে গিয়ে টাকা নষ্ট করতে না চান, তাহলে বাড়িতে বসে ইন্টারনেট থেকে মুভি নামিয়ে দেখতে পারেন। আজকাল টরেন্ট সাইটের (যেমন- www.thepiratebay.sx, www.kat.ph ইত্যাদি) কল্যাণে প্রায় সব ব্লকবাস্টার মুভির HD ভার্সন অনলাইনে পাওয়া যায়। এছাড়া ডিভিডি-ভিডিও রেন্টাল সার্ভিসও ব্যবহার করতে পারেন। এতে তুলনামূলক ভাবে কম খরচ পড়বে।

যদি রেস্টুরেন্টে খেতে ভালবাসেনঃ
কোন রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়ার আগে ভালোভাবে খোঁজ-খবর নিন যে তারা কোন ছাড় বা কুপন সার্ভিস দিচ্ছে কিনা। ইন্টারনেট ঘেটেই আপনি এ সম্পর্কে তথ্য পেতে পারেন। এমনই একটি ওয়েবসাইট www.ajkerdeal.com। তাছাড়া কিছু কিছু রেস্টুরেন্টে ‘হ্যাপি আওয়ার’ ব্যবস্থার প্রচলন রয়েছে। এ সুবিধা অনুযায়ী আপনি দিনের বা রাতের একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অর্ধেক দামে সব খাবারের স্বাদ উপভোগ করতে পারবেন।

যদি কেনাকাটা করতে ভালবাসেনঃ
অনেকের কাছেই কেনাকাটা বিনোদনের একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু সমস্যা হলো অনেকসময় এই অভ্যাসটি বিনোদন থেকে বিলাসিতায় রূপ নিতে পারে।
কোন দোকানে ঢুকলে কিছু না কিছু কিনতেই হবে এমন চিন্তা ত্যাগ করুন। শপিংমলগুলো যদি আপনার বিনোদনের জায়গা হয় তবে বিভিন্ন দোকান ঘুরে তাদের নতুন নতুন পণ্য সম্পর্কে ধারণা নিন। তারপর মাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় বাজেট সংগ্রহ করে জিনিস-পত্রগুলো কিনে ফেলুন। তবে দরদাম করতে একেবারেই ভুলবেন না।

যদি বিভিন্ন কনসার্টে অংশ নিতে ভালবাসেনঃ
অনেক টাকা খরচ করে শুধুমাত্র খ্যাতিমান ব্যান্ডদল বা শিল্পীর কনসার্ট উপভোগ করতে হবে এমন কোন কথা নেই। আপনি যদি সত্যিকার অর্থেই একজন সঙ্গীতপ্রেমী হয়ে থাকেন। তবে, যেকোন ভালো মিউজিক আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। উঠতি ব্যান্ডদলগুলো প্রচারণার জন্য বিনামূল্যে অথবা একদম স্বল্পমূল্যে তদের কনসার্টের টিকিট বিক্রি করে থাকে। তাছাড়া বিভিন্ন কফি শপে বা উৎসব আয়োজনে বিনামূল্যে নামি-দামি শিল্পী ও ব্যান্ডদলের গান শোনার সুযোগ রয়েছে। রাজধানী ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত রেস্টুরেন্ট ‘Fire on Ice’ এ প্রতিদিন খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি বিনামূল্যে মিউজিকাল কনসার্ট উপভোগের সুযোগ মেলে। এই ধরণের সুযোগের সদ্যবহার করুন।

যদি লাইভ কমেডি শো দেখতে ভালবাসেনঃ
এক্ষেত্রে কোন অপেশাদার কৌ্তুকাভিনেতার শো দেখা আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। উঠতি সঙ্গীত শিল্পীদের মত এরাও প্রতিভার প্রচারণার উদ্দেশ্যে নামমাত্র মূল্যে লাইভ কমেডি শো এর আয়োজন করে থাকেন। তবে এসব শো প্রায় বিনামূল্যে উপভোগ করা গেলেও ভেন্যুর নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে হালকা কিছু খাবার কিনে তাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করতে হবে।

যদি ভালবাসেন খেলাধুলা দেখতে
প্রায় সব খেলার ভেন্যুতেই স্টেডিয়ামের একদম উপরের সারির ব্যালকনিতে বসার ব্যবস্থা আছে। এই আসনগুলোর টিকিটের মূল্য অন্যান্য আসনের তুলনায় অনেক কম। তাছাড়া আপনি ইন্টারনেটেও টিকিট কেনার ক্ষেত্রে বেশ সস্তা ডিল পেতে পারেন। একইসাথে আপনি বিরাট লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেনার ঝক্কি থেকেও মুক্তি পেলেন।
- See more at: http://finance.priyo.com/node/1523#sthash.NhYt0HwM.dpuf
বর্তমান সমাজ পরিস্থিতিতে নিজের একটি শক্ত অর্থনৈতিক অবস্থান তৈরি করে নেওয়া বেশ কঠিন। এজন্য আপনাকে পুঁজিকৃত অর্থের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয়ের দিকে তীক্ষ্ম নজর দিতে হবে। বিষয় দুটি হলো ‘সঞ্চয়’ এবং ‘বিনিয়োগ’। এর সাথে আরও কিছু ব্যাপারের সমন্বয় সাধন করলে 
আপনি দারুণভাবে অর্থনৈতিক সাফল্য লাভ করবেন।

নিচে এরকম ১১টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি আলোকপাত করা হলো।

১. একটি সেভিংস আ্যকাউন্টে কমপক্ষে তিন মাসের খরচ আগেভাগে জমা করে রাখুন।
এটা কেবল শুরুর দিকের একটি ধাপ। আপনার যদি নিজের ব্যবসা থাকে তবে সেই ব্যবসাক্ষেত্র বাড়ানোর চেষ্টা করুন। নিজের মেধাশক্তি কাজে লাগিয়ে একেবারে ব্যর্থ কোম্পানিকেও আপনি সাফল্যের মূল ধারায় আনতে পারেন। অনেক অর্থনীতিবিদের মতে যেকোন দুর্যোগ সামলাতে ৬-৯ মাসের মত প্রাত্যহিক খরচ জমা করে রাখা একটি ভালো পদক্ষেপ। এত বেশি পরিমাণ অর্থ জমা করার সামর্থ না থাকলে অন্তত ৩ মাসের খরচ আলাদা করে রাখুন।

২. আপনার প্রাত্যহিক খরচের পরিমাণকে ২৫ গুণ বৃদ্ধি করে দেখুন।
অবসর গ্রহণের পর ঠিক এই সমপরিমাণ অর্থই আপনার প্রয়োজন হবে। তাই আগে থেকেই আপনার আয় আনুযায়ী অবসরের জন্য সঞ্চয় করতে থাকুন।

৩. আপনার বেতনের কমপক্ষে ১০% অর্থ নিয়মিত জমা রাখতে চেষ্টা করুন। তরুণ বয়স থেকেই এ অভ্যাসটি গড়ে তুলুন। নিয়মিতভাবে অর্থ সঞ্চয় করলে ভবিষ্যতে তা পরিমাণে অনেক বেশি হয়ে দাঁড়াবে। মনে রাখবেন, বিন্দু বিন্দু জলকণা থেকেই কিন্তু সিন্ধু হয়।

৪. আপনার প্রতিষ্ঠান যেসব সুযোগ-সুবিধা দেবে তার সদ্যবহার করুন।
যদি আপনি একজন সরকারী কর্মচারী হন তবে পেনশন সহ আরো অনেক সুবিধা আপনি পেয়ে থাকবেন। তাছাড়া আজকাল বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও কর্মীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা থেকে শুরু করে বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। কখনই বিনয়ের খাতিরে এসব সুবিধা নেয়া থেকে বিরত থাকবেন না।

৫. আপনার সন্তানের শিক্ষা ব্যয় বহন করার জন্য একটি সেভিংস আ্যকাউন্ট খুলুন। সন্তানের জন্মের পরপরই তার শিক্ষা খরচের ব্যাপারটি মাথায় রেখে একটি সেভিংস আ্যকাউন্ট খুলে ফেলুন। এতে করে আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকবে।

৬. অবসরের জন্য আগেভাগেই অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করে রাখুন।
প্রচলিত রিটায়ারমেন্ট পলিসির সঠিক ব্যবহার করুন। কর্মজীবনের শুরু থেকেই অবসর পরবর্তী অবস্থা সামলাতে প্রস্তুতি নিন।

৭. গৃহস্থালি ব্যয়ের পরিমাণ মাসিক আয়ের ২৮%-৩৩% এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন।
ঘর-গৃহস্থালির যাবতীয় খরচ এই বাজেটের মধ্যেই রাখুন। কখনই বাজেট অতিক্রম করে অতিরিক্ত অর্থ খরচ করবেন না। তাহলে সেটা আপনার সঞ্চয়ের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

৮. আপনার হোম মেইন্টেইনেন্স খরচ প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করুন।
একটু একটু করে অপ্রয়োজনীয় খরচ গুলো বাদ দিন। তাছাড়া আপনার বাড়ী যদি কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে বন্ধক দেয়া থাকে তবে বন্ধকী অর্থ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরিশোধ করার চেষ্টা করুন।

৯. শেয়ার বাজার,বন্ড ইত্যাদিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
সবসময় শেয়ার বাজারের লেনদেনের দিকে তীক্ষ্ম নজর রাখুন। তা নাহলে ভুল পদ্ধতি বা খাতে বিনিয়োগ করে আপনি আপনার কষ্টার্জিত অর্থ খুঁইয়ে বসতে পারেন।

১০. যেসব ব্যবসাক্ষেত্র সম্পর্কে আপনার ভালো ধারণা নেই সেখানে বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকুন।
কখনই মানুষের মিষ্টি কথায় প্রলোভিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনি যদি কোন বিনিয়োগ খাত সম্পর্কে সন্দিহান থাকেন তবে অতি সত্ত্বর সেখান থেকে সরে আসুন।

১১. সকল অর্থনৈতিক পলিসির ক্ষেত্রে উচ্চ সুদের হার এড়িয়ে চলুন।
সবসময় সকল লেনদেনের ক্ষেত্রে আপনার জন্য উপযুক্ত পলিসি নির্বাচন করুন। একজন বিনিয়োগকারী হিসবে চড়া সুদের যেসব পলিস আছে সেগুলোতে বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

- See more at: http://finance.priyo.com/node/1537#sthash.eoL1nHlF.dpuf


ঢাকা: জাপান সরকার বাংলাদেশে মহাকাশ শিল্প স্থাপনে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত শিরো সাদোশিমা।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি এ কথা জানান।

রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে বলেন, ‘স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনের যাবতীয় যন্ত্রপাতিসহ মহাকাশযানে ব্যবহার উপযোগী যন্ত্রপাতি তৈরি করার জন্য বাংলাদেশে একটি বৃহৎ শিল্প স্থাপনের জন্য জাপানের আগ্রহ রয়েছে।’

তিনি আরও জানান, আগামী মার্চ মাসে বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪০ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান ঢাকায় পালন করবে জাপান সরকার। এ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জাপানের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে জাপান সরকারকে অনুরোধ জানান।

কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী আয়োজনের সময় জাপানের শিল্পদ্যোক্তাগণ বাংলাদেশে উপস্থিত থাকবেন এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্র বেছে নেবেন।

জাপানি রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশ জাপানের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। তাই বাংলাদেশে যে কোন সহায়তা কিংবা বিনিয়োগে জাপান সরকার খুবই উৎসাহী।

ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য গঠিত বিসিসিআরএফ-এ অর্থ সহায়তা প্রদানের জন্য জাপান সরকারকে অনুরোধ জানান। এছাড়া রাংগুনিয়া ইপিজেড-এ জাপানী শিল্প স্থাপন ও কর্ণফূলী টানেল নির্মাণে জাপান সরকারের সহায়তা কামনা করেন।

link 


ঢাকা: উত্তরাঞ্চলে মঙ্গাপীড়িত এলাকার দারিদ্র্য নিরসনে বিশ্বব্যাংক ২১৭ কোটি টাকা (২৯ দশমিক ২৯ মিলিয়ন ডলার) ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশকে।

‘নর্দার্ন এরিয়া রিডাকশন অব পোভার্টি ইনিশিয়েটিভ: উইমেনস ইকোনোমিক এমপাওয়ারমেন্ট প্রকল্প’ এর আওতায় এ ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

এ ঋণের মাধ্যমে হাতে নেওয়া প্রকল্পের মাধ্যমে রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও গাইবান্ধার ১০ হাজার ৮০০ দরিদ্র নারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে এদের চাকরিও দেওয়া হবে।

রোববার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ইকবাল মাহমুদ ও বিশ্বব্যাংকের পক্ষের তাদের ঢাকা অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর অ্যালেন গোল্ডস্টেইন ঋণ চুক্তিতে সই করেন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব শফিক আলম মেদেহী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পটির প্রাক্বলিত ব্যয় প্রায় ২৯৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক আইডিএ-এর মাধ্যমে নমনীয় শর্তে ২৯ দশমিক ২৯ মিলিয়ন ঋণ হিসেবে প্রদান করবে।

প্রকল্পের অবশিষ্ট ব্যয় বাংলাদেশ সরকার এবং মালিক পক্ষ ও সুবিধাভোগীরা বহন করবে। এ ঋণের ওপর ০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ প্রদান করতে হবে। এ ঋণ ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৪০ বছরে পরিশোধযোগ্য।

এ প্রশিক্ষণের আওতায় আসতে হলে একজন নারীকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া ও ১৮ বছর বয়স হতে হবে। 
Copyright © 2013 MEDIA INFO